আগরতলা: এবার বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় এনপিআর-এর তোড়জোড়। রাজ্য সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই সেই উদ্যোগ নেওয়া শুরু হয়েছে। ত্রিপুরা জনগণনা অধিকর্তা পি কে চক্রবর্তী জানিয়েছেন, জনগণনা প্রক্রিয়ার অধীনে এনপিআর-এর জন্য ত্রিপুরায় তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। আগামী ১৬ মে থেকে এনপিআর-এর জন্য তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে। আগামী ২৯ জুন পর্যন্ত সেই কাজ চলবে।

বিতর্ক থাকলেও সেই বিতর্কে আমল দিতে নারাজ বিপ্লব দেব নেতৃত্বাধীন ত্রিপুরা সরকার। ইতিমধ্যেই এনপিআর-এর কাজ শুরু করে দিল ত্রিপুরা সরকার। তবে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সরব হয়েছে। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিএমের পাশাপাশি কংগ্রেসও জানিয়েছে, এনপিআর-এর কাজ শুরুর উদ্যোগ নিলেও বিজেপি সরকারের সেই লক্ষ্য সফল হবে না।

রাজ্যবাসী এনপিআর-এর জন্য তথ্য দেবেন না বলেই বিশ্বাস বিরোধীদের। উলটোদিকে, রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব বিরোধীদের সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে। এনপিআর-এর কাজ রাজ্যের প্রতিটি নাগরিকের সমর্থনে ভালোভাবেই ত্রিপুরায় হবে বলে মত শাসক শিবিরের।

এনপিআর-এর কাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিএম। দলের রাজ্য নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজ্যবাসীর মতকে গুরুত্ব দিচ্ছে না সরকার। দেশের অধিকাংশ মানুষের পাশাপাশি সিএএ, এনআরসি ও এনপিআর নিয়ে ত্রিপুরাতেও বিক্ষোভ-আন্দোলনে পথে নেমেছেন মানুষ। একযোগে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদ চলছে রাজ্যজুড়ে।

এরই মধ্যে রাজ্যের বিজেপি সরকার এনপিআর-এর উদ্যোগ নিয়ে রাজ্যবাসীর সঙ্গে অবিচার করছে। তবে রাজ্য সরকারের এই প্রচেষ্টাকে ত্রিপুরাবাসী সফল হতে দেবেন না বলেই মত রাজ্য সিপিএম নেতৃত্বের।

অন্যদিকে কংগ্রেসও ত্রিপুরায় এনপিআর এবং এনআরসি-র বিরুদ্ধে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়েছে। বিপ্লব দেবের সরকার এবার এনপিআর নিয়ে উদ্যোগ নেওয়ায় তাঁর কড়া সমালোচনা করেছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। কংগ্রেস নেতৃত্বের অভিযোগ রাজ্যবাসীর মতের বিরুদ্ধে গিয়ে এনপিআর করতে চাইছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের মানুষ সরকারের এই ‘অপচেষ্টা’ রুখে দেবেন বলে দাবি কংগ্রেস নেতাদের।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ