ফাইল ছবি

শ্রীনগর : সিআরপিএফ কনভয়ে একাধিক হামলা চালিয়েছে সে। লস্কর এ তইবার সক্রিয় সদস্য ও নওগাম হামলার মূলচক্রী সইফুল্লাকে নিকেশ করল সেনা। জম্ম কাশ্মীরের রামবাগে সোমবার সেনার সঙ্গে এনকাউন্টারে সইফুল্লা খতম হয় বলে খবর। তার সঙ্গেই আরও এক জঙ্গিকে নিকেশ করেছে সেনা।

সোমবার জম্মু কাশ্মীর পুলিশ ট্যুইট জানায়, দুই জঙ্গি মারা গিয়েছে যৌথবাহিনীর হাতে। এর মধ্যেই একজন সইফুল্লা। সেনা সূত্রে খবর, এই সইফুল্লা সম্প্রতি নওগামে হওয়া হামলার মূলচক্রী। জম্মু কাশ্মীরের নওগামে সিআরপিএফের কনভয়ের ওপর হামলা চলে। সেখানে দুজন সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হন। এছাড়াও ২৪শে সেপ্টেম্বর চাদোরা এলাকায় সিআরপিএফের এক এএসআইকে মেরে ফেলে লস্কর জঙ্গিরা। সেখানেও যুক্ত ছিল সইফুল্লা।

কাশ্মীরের আইজি বিজয় কুমার সোমবার এক ট্যুইট বার্তায় বলেন সইফুল্লা ও আরও এক জঙ্গি সেনার সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম হয়েছে। এই সইফুল্লা উপত্যকায় নানা নাশকতামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

জি মিডিয়ার এক সূত্র জানাচ্ছে, সোমবার সকালে শ্রীনগরের রামবাগ এলাকায় তল্লাশি চালাতে শুরু করে পুলিশ ও সেনার যৌথ বাহিনী। গোপন সূত্রে খবর পেয়েই তল্লাশি চালায় তারা। জঙ্গিদের গোপন আস্তানার কাছে পৌঁছতেই গুলি ছুঁড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা জবাব দেয় যৌথবাহিনীও। শুরু হয় এনকাউন্টার।

শনিবারও পুলওয়ামার দাদোরা এলাকায় গুলির লড়াই শুরু হয়। পুলিশ, সেনা ও সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী এলাকায় তল্লাশি শুরু করে। ওই এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে জঙ্গিদল, এই খবর পেয়েই তল্লাশি শুরু হয়। জম্মু কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে খবর মেলে লস্কর এ তইবার শীর্ষ কর্তা জাহিদ নাজির ভাটকে খতম করতে পেরেছে সেনার যৌথ বাহিনী।

গত ১২ ঘন্টায় এই নিয়ে দুটি এনকাউন্টার করা হয় পুলিশের তরফে। এই দুটি এনকাউন্টারেই সাফল্য পায় সেনা। আরেকটি এনকাউন্টার হয় কুলগাম জেলায়। ভারতীয় সেনার সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম হয় দুই জঙ্গি। ইন্ডিয়া টুডের সূত্র জানায় যে টানা গুলির লড়াই চলে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই এলাকায় তল্লাশি চালাতে শুরু করে পুলিশ ও সেনার যৌথ বাহিনী। ঘাঁটি থেকে যৌথ বাহিনীর ওপর প্রথম গুলি ছোঁড়ে জঙ্গিরা। প্রত্যুত্তর দেয় সেনাও। শুরু হয় গুলির লড়াই। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে যৌথবাহিনী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I