নয়াদিল্লি: সংঘাতের পর চিনা অ্যাপের উপর আগেই কোপ ফেলেছে ভারত। এবার বন্ধ করে দেওয়া হল আরও বেশ কয়েকটি অ্যাপ। বৃহস্পতিবারই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমননকি রেডমি বা শাওমির-র ফোনে যে Mi Browser থাকে, সেটাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

শোনা যাচ্ছে, কোনও ঘোষণা ছাড়াই ভারত সরকার নতুনকরে কিছু চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে। এক বিদেশি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট বলছে, কেন্দ্রীয় সরকার শাওমি ও বাইডুর মত চিনা সংস্থাগুলির বেশ কিছু মোবাইল অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে। তবে অন্যান্যবারের প্রকাশ্যে না জানিয়েই করা হয়েছে এই পদক্ষেপ।

লাদাখের কিছু এলাকা থেকে এখনও পিছু হঠেনি চিন। ফলে আর্থিক দিক থেকে তাদের উপর ক্রমশ চাপ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি। জানা গিয়েছে, এমআই ব্রাউজার প্রো ও বাইডুর সার্চ অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে তারা। তবে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে এখনও এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। পাওয়া যায়নি চিন সরকারের মতামতও।

নতুন করে আরও ১৫ টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে AirBrush, MeiPai, BoXxCAM ইত্যাদি।

এর আগে পরপর দু’দফায় একগুচ্ছ চিনা অ্যাপ ব্যান করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথম দফায় ৫৯টি ও পরের দফায় ৪৭ টি অ্যাপ ব্যান করা হয়।

লাদাখে ভারত-চিন সংঘাত যখন চরমে, তখন জুন মাসের শেষে, ২৯শে জুন রাতারাতি ৫৯টি চিনা অ্যাপ বাতিল ঘোষণা করে কেন্দ্র। ভারত-চিন সংঘাতের পরই একধাক্কায় ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে দেয় মোদী সরকার।

টিক টক, হ্যালো-র মত বেশ কিছু জনপ্রিয় অ্যাপ ভারতে বন্ধ করে দেওয়া হয় রাতারাতি। সেই অ্যাপগুলিকে ফের কড়া বার্তা দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে।

জানানো হয় সরকারি নির্দেশ পালন করতেই হবে এই সংস্থাগুলিকে। সরকারের নির্দেশ না মানলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। সবকটি সংস্থাকে তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফ থেকে চিঠি লেখা হয়। সেই চিঠিতে বলা হয়, নিষিদ্ধ হওয়ার পরও যদি অ্যাপগুলি কোথাও চলে, তাহলে তা শুধুমাত্র বেআইনিই নয়, এক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।

কেন্দ্রের অভিযোগ ছিল, এই ৫৯টি অ্যাপ ভারতের ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরি করছে। অ্যাপ ব্যবহারকারীর নাম, ঠিকানা,সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট, নানারকম গুরুত্বপূর্ন তথ্যের উপর গোপনে নজরদারী চালায় এই অ্যাপগুলি। এমনকী, ভারতের সার্বভৌমত্ব,সৌভ্রাতৃত্বকেও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা