নয়াদিল্লি: শ্রাবণ মাসের সোমবার হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। লক্ষ লক্ষ ভক্ত গোটা দেশ জুড়ে শিবের মন্দিরের সামনে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন, শিবলিঙ্গে জল ঢালার জন্য। তবে এবারের ছবিটা আলাদা। করোনা ভাইরাসের আতঙ্কের জেরে সব মন্দিরের দরজাই প্রায় বন্ধ।

তা বলে ধর্মাচারণ তো বন্ধ থাকতে পারে না। কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরের প্রসাদ তাই বাড়িতে বসেই পেতে পারেন। সেই ব্যবস্থা করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। মন্দিরে সামাজিক দূরত্ব মেনে পুজো দেওয়া বা প্রসাদ পাওয়ার মধ্যেও সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে যায়। তবু নির্দিষ্ট সংখ্যক ভক্তকে মন্দিরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। যদিও সব মন্দির সেই অনুমতি দেয়নি। এরই মধ্যে একটি হল কাশী বিশ্বনাথের মন্দির।

বিশ্বনাথের মন্দিরে পুজো দেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ফলে প্রসাদ পাওয়ার উপায় নেই ভক্তদের সামনে। এবার তাই ভক্তদের বাড়ির দরজায় দরজায় পৌঁছে যাচ্ছে মহাদেবের প্রসাদ। ডাক বিভাগের মাধ্যমে এই উপায় বাস্তবায়িত করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

লখনউয়ের ডাক বিভাগের প্রধান কৃষ্ণ কুমার জানান, মৌখিক ভাবে ভক্তদের বাড়িতে প্রসাদ পৌঁছে দিতে রাজি হয়েছে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ। এজন্য ডাক বিভাগের সঙ্গে বিশেষ আলোচনাও চলেছে। স্পিডপোস্ট করে এই প্রসাদ পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।
কীভাবে আবেদন করবেন

বাড়িতে বসে প্রসাদ পেতে গেলে ওই ভক্তকে ২৫১ টাকার ইএমও বা ইলেকট্রনিক মানি অর্ডার করতে হবে। দেশের যে কোনও প্রান্তের পোস্ট অফিস থেকে এই মানি অর্ডার করতে হবে। ঠিকানা থাকবে সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্ট অফিস, বারাণসি ইস্ট ডিভিশন।

এই মানি অর্ডার পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে কাশী বিশ্বনাথের প্রসাদ আপনার বাড়িতে চলে আসবে। তবে একটি বিষয় উল্লেখ্য এই পরিষেবা শুধু উত্তর প্রদেশের পূর্ব প্রান্তের জন্যই সীমাবদ্ধ। যে পার্সেল মন্দির কর্তৃপক্ষ পাঠাবে, তাতে থাকবে কাশী বিশ্বনাথের মন্দিরের জ্যোতির্লিঙ্গের ছবি, মহা মৃত্যুঞ্জয় মহা যন্ত্র, শিব চালিশার একটি কপি, রুদ্রাক্ষ, শুকনো ফল, মিষ্টির প্যাকেট।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ