শিলিগুড়িঃ  তিস্তার স্রোত বেয়ে আসা রুপালি বোরোলি মাছের স্বাদ আর কোথাও মেলে না। মাছবিলাসীরা বোরোলির টানেই বারবার ফিরে যান উত্তরে। ডুয়ার্সের পর্যটনেরও অন্যতম আকর্ষণ এই বোরোলি। তবে মাছের এই মানচিত্র ভাঙতে চলেছে এবার।

যা এতদিন উত্তরবঙ্গের গর্ব হয়ে ধরা দিত, তার নাগাল দক্ষিণবঙ্গের জলাশয়ে পেতে চলেছে বাঙালি। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আপাতত বর্ধমানের ভেড়িতে বোরোলির চাষ হবে। সরকার বলছে, চাষ হবে এমনভাবে, যাতে উত্তরবঙ্গের জল-হাওয়ার স্পর্শ দক্ষিণবঙ্গেও পায় মাছগুলি।

উত্তরের আবহাওয়া কি দক্ষিণবঙ্গে করা সম্ভব?

ইতিমধ্যে এই মাছ চাষ করা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিচ্ছে প্রশাসন। কীভাবে উত্তরের পরিবেশ দক্ষিণে তৈরি করা যায় তা নিয়ে শুরু হয়েছে গবেষণা। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হবে পরিবেশ। আর তাতেই বেড়ে উঠবে উত্তরে বোরোলি মাছ।

এক মৎস্য বিশেষজ্ঞের কথায়, বদ্ধ জলাশয়ে কৃত্রিমভাবে পাহাড়ি নদীর মতো স্রোত তৈরি করা সম্ভব। উত্তরের ঠান্ডার পরিবেশ দক্ষিণে দিতে জলাশয়কে একটু বেশি গভীরও করা হবে। যাতে গরম মনে করলে মাছ নিজে থেকেই একটু বেশি গভীর জলের ঠান্ডা পরিবেশে চলে যেতে পারে। এছাড়াও, পাহাড়ি নদীতে মাছেরা অক্সিজেন বেশি পায়। তাই এখানকার বদ্ধ জলাশয়ে যাতে তাদের অক্সিজেনের কোনও অভাব না হয়, তার জন্য যন্ত্রও বসানো হচ্ছে।

দক্ষিণবঙ্গের পুকুরে এই মাছ চাষের বিষয়ে চূড়ান্ত সিলমোহর দেয় দফতর। দক্ষিণবঙ্গে মৎস্য দফতরের জলাশয়গুলিতেই বোরোলি মাছ চাষ করা হবে। বর্ধমানে নিগমের দু’টি মৎস্য প্রকল্প রয়েছে। আপাতত সেখানেই উত্তরের বোরোলি মাছ চাষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

সূত্র- aitmc

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.