প্রতীকী ছবি

লন্ডন: মারণ ব্যাধির দাপটে আজ বিধ্বস্ত গোটা দুনিয়া। সংক্রমণ ঠেকাতে এখনও জারি রয়েছে লকডাউন। তবুও মিলছে না স্বস্তি।

আর এরই মধ্যে করোনাভাইরাস সম্পর্কে নয়া তথ্য উপস্থাপন করলেন লন্ডনের একদল গবেষক। লন্ডন থেকে প্রকাশিত স্বাস্থ্য সংক্রান্ত একটি জার্নালে গবেষক মণ্ডলীদের নয়া এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। ওই জার্নালে বলা হয়েছে, হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকেও ছড়াতে পারে মারণ করোনা। শুধু তাই নয়, হাসপাতালে ভর্তি অসুস্থ রোগী তথা করোনা আক্রান্তদের মধ্য থেকে মাত্র ১০ ঘন্টার মধ্যেই গোটা হাসপাতাল চত্বর, আইসোলেশন ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস।

শুধু তাই নয়, গবেষকরা দেখিয়েছেন এই ভাইরাসটি হাসপাতালের বেড সহ ব্যবহৃত অন্যান্য জিনিসের মধ্যে অন্তত পাঁচদিন বেঁচে থাকতে পারে। ফলে হাসপাতাল থেকেও করোনা সংক্রামিত হওয়ার বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। লন্ডন ও আমেরিকার বিজ্ঞানীদের যৌথ গবেষনায় উঠে এসেছে আরও অনেক নতুন তথ্য।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, মাত্র দশ ঘন্টায় প্রায় ৪১ শতাংশ ভাইরাস বা জীবাণু হাসপাতালের বেড, দরজার হাতল সহ বাচ্চাদের খেলনা, বই খাতার মধ্যেও বেঁচে থাকতে পারে। আর এর মধ্যে ৫৯ শতাংশ জীবাণু তিনদিন বাঁচে এবং ৪১ শতাংশ জীবাণু বেঁচে থাকে পাঁচদিন মতো।

এদিকে যেভাবে ক্রমশ করোনা আক্রান্তের তালিকা লম্বা হচ্ছে তাতে শুধু হাসপাতাল নয়, পরীক্ষাগার, মেডিসিন ক্লিনিক সহ আশেপাশের এলাকায় করোনা পরীক্ষা করা হলে অন্তত ৮৬ শতাংশ মানুষের রিপোর্টে করোনা পজিটিভ ধরা পড়বে।

এছাড়াও হাসপাতাল পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের অন্তত ৬০ শতাংশ মানুষের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছেন। এমনটাই জানাচ্ছেন ইউনিভার্সিটি কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের গবেষক গন। তাঁদের দাবি, যেহেতু অদৃশ্য এই মারণ ব্যাধি খুব দ্রুত মানব দেহে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

ফলে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, হ্যান্ড স্যানিটাইজর ব্যবহার করা উচিত। এছাড়াও বিভিন্ন ক্লিনিকে কর্মরত স্বাস্থ্যককর্মী মেডিকেল স্টাফদের পিপিই পরে যাবতীয় কাজকর্ম করা উচিত। সঙ্গে মাক্স অবশ্যই বাধ্যতামূলক। সব মিলিয়ে বলা চলে, যেভাবে দিনের পর দিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে সদা সতর্ক থাকা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাই একমাত্র উপায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।