কলকাতা: করোনা আতঙ্ক দেখা দিয়েছে আইনজীবিদের মধ্যেও৷ আগামী ২১ মার্চ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্ট সহ রাজ্যের সমস্ত আদালতে কাজে যোগ দেবে না আইনজীবিরা৷ এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য বার কাউন্সিল৷

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আগামী ২০ তারিখ ফের বৈঠকে বসবে বার কাউন্সিল৷ সেই বৈঠকেই ঠিক হবে ২১ মার্চ এর পরে আইনজীবিরা কাজে যোগ দেবেন কিনা৷

কয়েক মাস আগে সারা রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছিল৷ বিগত বছর গুলির তুলনায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল এই রাজ্যে। তাই ডেঙ্গু আতঙ্কে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিল আইনজীবিরা৷ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর মহকুমা দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালতের ঘটনা৷ তাঁরা চার দিনের কর্মবিরতি করেছিল৷

বিষ্ণুপুর অ্যাডভোকেটস্ বার অ্যাসোশিয়েশনের দাবী, আদালত চত্বরের নিকাশী নালা গুলি দীর্ঘদিন পরিস্কার করা হয়নি। জল সহ নানান আবর্জনা জমে রয়েছে। যা বর্তমানে মশাদের আঁতুড় ঘরে পরিনত হয়েছে। এই মুহূর্তে রাজ্যে বেশ কয়েক জনের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। একাধিক মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে খবর।

এই অবস্থায় আতঙ্কিত আইনজীবিরা দ্রুত আদালত চত্ত্বরে নিকাশী নালা গুলি পরিস্কার করার দাবী জানিয়ে চার দিনের কর্ম বিরতির ডাক দিয়েছিল৷ বিষ্ণুপুর অ্যাডভোকেটস্ বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে তাদের কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত বাঁকুড়া জেলা জজ, এ.ডি.জে- বিষ্ণুপুর, স্থানীয় পুলিশ সহ সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় লিখিতভাবে জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে৷

আইনজীবিদের এই কর্মবিরতিতে সমস্যায় পড়েন অসংখ্য বিচার প্রার্থী সাধারণ মানুষ। সেই সময় আইনজীবিদের কর্মবিরতির আগাম খবর না পেয়ে দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষজনদের অনেককেই ফিরে যেতে হচ্ছে। সন্দীপ ব্যানার্জী নামে এক বিচারপ্রার্থী বলেন, নিকাশী নালা পরিস্কারের কাজ করার কথা সংশ্লিষ্ট পৌরসভার।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ