নোভাক জকোভিচ

মেলবোর্ন: খানিকটা করোনা উদ্বেগ গায়ে মেখেই শুক্রবার ঘোষিত হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ড্র। রজার ফেডেরারের অনুপস্থিতিতে মেলবোর্ন পার্কে পুরুষ সিঙ্গলসে যে দু’টি নাম স্বাভাবিকভাবে সবচেয়ে বেশি চর্চার শিরোনামে, সেই নামদু’টি রাফায়েল নাদাল এবং নোভাক জকোভিচ। ২০০৯ পর কেরিয়ারের দ্বিতীয় অস্ট্রেলিয়ান ওপেন চলতি বছর জিততে পারলে ওপেন এরায় সর্বাধিক গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের নিরিখে প্রতিদ্বন্দ্বী রজার ফেডেরারকে টপকে যাবেন নাদাল।

অন্যদিকে প্রিয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেতাব ধরে রাখতে এবং একইসঙ্গে নবমবার খেতাব জয়ের জন্য অভিযান শুরু করতে চলেছেন সার্বিয়ান তারকা নোভাক জকোভিচ। প্রথম রাউন্ডে দুই তারকার সামনে আপাত সহজ প্রতিদ্বন্দ্বী অপেক্ষা করলেও লক্ষ্যপূরণের জন্য কঠিন হার্ডল অপেক্ষা করছে রাফা-জোকার দু’জনের জন্যই। প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকাতে নাদাল মুখোমুখি হবেন ফ্রান্সের জেরেমি চার্ডির। অন্যদিকে প্রথম রাউন্ডে জোকারের (জকোভিচ) আপাত সহজ প্রতিদ্বন্দ্বী স্বদেশী লাসলো জেরে।

তবে খেতাব জিততে গেলে আগামী রাউন্ডগুলোতে নাদালকে যে নামগুলো ফেস করতে হবে সেগুলো বেশ চমকপ্রদ। রাশিয়ার দানিল মেদভেদেভ, আন্ড্রে রুবলেভ কিংবা গ্রীসের স্তেফানোস সিৎসিপাসের মত হার্ডল পেরোতে হবে স্প্যানিশ মায়েস্ত্রোকে। অর্থাৎ, ড্র’য়ের পর এই নামগুলোর সঙ্গে একই হাফে জায়গা করে নিয়েছেন রাফা। অন্যদিকে ২০১৪ চ্যাম্পিয়ন স্ট্যান ওয়ারিঙ্কা, আলেকজান্ডার জেরেভ কিংবা গতবছরের ফাইনালিস্ট ডমিনিক থিয়েমকে হারিয়ে তবেই খেতাবের কাছাকাছি পৌঁছতে হবে সার্বিয়ান তারকাকে। সবমিলিয়ে দুই শীর্ষ তারকার জন্য ড্র যে বেশ কঠিন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

মহিলাদের সিঙ্গলসে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন সোফিয়া কেনিন প্রথম রাউন্ডে মুখোমুখি হবেন ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি ম্যাডিসন ইংলিসের। স্থানীয় তারকা অ্যাশলে বার্টি প্রথম রাউন্ডে খেলবেন ডানকা কোভিনিচের বিরুদ্ধে। তবে আগামী রাউন্ডগুলোতে ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা, এলিনা সিতোলিনার মত হার্ডল অপেক্ষা করছে বার্টির জন্য। ড্র’য়ে একই হাফে জায়গা করে নেওয়া সেরা উইলিয়ামস এবং নাওমি ওসাকা প্রথম রাউন্ডে নামবেন যথাক্রমে লরা সিয়েগমুন্ড এবং আনাস্তাসিয়া পাবলুচেঙ্কোভার বিরুদ্ধে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.