বেলগ্রেড: দেশের রাজধানী বেলগ্রেড শহরে তাঁর চ্যারিটি টুর্নামেন্ট শেষমেষ পরিণত হয়েছিল কোভিড-১৯ হটস্পটে। যা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়েছিল টেনিস মহলে। এরকম এক অতিমারিরে আবহে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং’য়ের নির্দেশিকা উপেক্ষা করে আদ্রিয়া ট্যুর আয়োজন ঘিরে অনুরাগীদেরও ব্যাপক রোষের মুখে পড়তে হয় বিশ্বের এক নম্বরকে। অবশেষে তাঁকে ঘিরে সমালোচনার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন সদ্য করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা জকোভিচ।

এব্যাপারে সংবাদমাধ্যমকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন ১৭টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক। সংবাদমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে যা হয়েছে সেগুলো সমালোচনার চেয়ে অনেক বেশি কিছু। এমন ঘটনাকে তাঁর প্রতি ‘কালাজাদু’ আখ্যা দিয়েছেন জকোভিচ। বুধবার সার্বিয়ার একটি সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘ইভেন্টটি আয়োজনের উদ্দেশ্য আমাদের কাছে ভীষণ পরিষ্কার ছিল। তিনি এই প্রদর্শনী টুর্নামেন্টের মধ্যে দিয়ে দেশের টেনিস প্লেয়ার এবং টেনিস ফেডারেশনকে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন জোকার। তাঁর কথা পরের দিকে তাঁকে নিয়ে যা হচ্ছিল ওটা সমালোচনা নয়। মিডিয়া যেন তাঁর প্রতি কালাজাদু করছিল। জানিয়েছেন জোকার।

জকোভিচ বলেন সংবাদমাধ্যম চেয়েছিল কোনও বড় একটা নামকে মাটিতে টেনে নামাতে। সে কারণেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তারা এটা করেছে। উল্লেখ্য, গত জুনে জকোভিচ আয়োজিত আদ্রিয়া ট্যুরে অংশগ্রহণ করে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলে গ্রিগর দিমিত্রভ, বোর্না করিচ, ভিক্টর ত্রোইস্কি এবং নোভাক জকোভিচ নিজে। ক্রোয়েশিয়ার জাদার শহরে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলতে গিয়েছিলেন জোকার। কিন্তু অংশগ্রহণকারী দিমিত্রভের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর শুনে বন্ধ রাখতে হয় ফাইনাল। ক্রোয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরে করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে সস্ত্রীক জকোভিচের। যদিও দিনকয়েকের মধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন জকোভিচ ও তাঁর স্ত্রী জেলেনা।

তবে ইউএস ওপেনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত নন বিশ্বের এক নম্বর। আগেই নিউ ইয়র্কে খেলতে যাওয়ার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ৩১ অগস্ট থেকে ১২ সেপ্টেম্বর নয়া সূচি ঘোষণা হওয়ার পর জোকারের কথায়, ‘যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসের যা বাড়বাড়ন্ত বিশেষ করে নিউ ইয়র্ক শহরে, তাতে ইভেন্ট আয়োজন খুব একটা নিরাপদ নয়। যদিও যুক্তরাষ্ট্র টেনিস অ্যাসোসিয়েশন নির্দেশিত কড়া গাইডলাইনের মধ্যে দিয়েই চলতি বছর ইউএস ওপেন আয়োজনের কথা ঘোষণা করেছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ