বেলগ্রেড: চ্যারিটি টুর্নামেন্ট আদ্রিয়া ট্যুর আয়োজন করা নিয়ে টেনিস অনুরাগীদের রোষের মুখে নোভাক জকোভিচ। তাঁর চ্যারিটি টুর্নামেন্টে অগশগ্রহণ করে কোভিড১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন গ্রিগর দিমিত্রভ, বোর্না করিচ, ভিক্টর ত্রোইস্কি এবং খোদ জকোভিচ। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছে সম্প্রতি। এরইমধ্যে খুনের হুমকি পেলেন ‘জোকার’।

সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড ছাড়াও আদ্রিয়া ট্যুরের ভেন্যু হিসেবে ছিল ক্রোয়েশিয়ার জাদার শহরও। যেখানে মেগা টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সেই জাদার শহর থেকে ৯০ মিনিট দুরত্বে ক্রোয়েশিয়ার স্প্লিট শহরের রাস্তায় মিলল জকোভিচকে খুনের হুমকি বার্তা। হুমকি বার্তায় লেখা ছিল, ‘জকোভিচ তুমি মরে যাও। স্প্লিট থেকে তোমার মৃত্যু কামনা রইল। তোমার মৃত্যু হোক জকোভিচ।’

উল্লেখ্য, জকোভিচের আদ্রিয়া টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি কার্যত কোভিড হটস্পটে পরিণত হয় ক্রোয়েশিয়ার জাদার শহর। জাদার থেকে বেলগ্রেডে ফিরেই জকোভিচের শরীরে করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। তাঁর আগে করোনা সংক্রামিত হয় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করা বাকি তিন প্লেয়ার দিমিত্রভ, করিচ এবং ত্রোইস্কির শরীরে। টুর্নামেন্ট চলাকালীন সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং উপেক্ষা করে পার্টিতে অংশগ্রহণ করায় ব্যাপক সমালোচিত হন জকোভিচ সহ অন্যান্যরা। অংশগ্রহণকারীদের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তাঁদের ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে সম্বোধন করেন করেন অজি টেনিস তারকা নিক কিরগিওস।

তবে জকোভিচ অনুরাগীদের থেকে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে জানান, ‘আমি ভীষণভাবে দুঃখিত প্রত্যেকের জন্য। আশা রাখি কারও শারীরীক পরিস্থিতি জটিল পর্যায়ে পৌঁছবে না এবং খুব তাড়াতড়ি সকলে সুস্থ হয়ে উঠবে। আমরা যা করেছি সহৃদয়ে করেছি এবং আমাদের উদ্দেশ্য খুবই পরিষ্কার ছিল। আমাদের টুর্নামেন্ট মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ও সংহতিপরায়ণ করার জন্য আয়োজিত হয়েছিল।’

এদিকে আদ্রিয়া ট্যুর থেকে কোনও শিক্ষাই নেননি জার্মান আরকা আলেকজান্ডার জেরেভ। দেশে ফিরে আইসোলেশনে না থেকে ফের তাঁকে এক পার্টিতে দেখা গিয়েছে। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে জেরেভের মুন্ডপাত। ঘটনায় নিক কিরগিওস জেরেভকে ‘স্বার্থপর’ আখ্যা দিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।