প্যারিস: ইউএস ওপেনের চতুর্থ রাউন্ডে এই পাবলো ক্যারেনো বুস্তার বিরুদ্ধেই কোর্টে অঘটন ঘটিয়ে ফেলেছেন তিনি। লাইন আম্পায়ারকে বল দিয়ে অনিচ্ছাকৃত আঘাত করে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল তাঁকে। ফরাসি ওপেনের কোয়ার্টারে স্পেনের সেই প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়েই সেমিফাইনালে পৌঁছলেন নোভাক জকোভিচ।

প্রথম সেট হেরে পিছিয়ে পড়েও দারুণ কামব্যাক করলেন সার্বিয়ান তারকা। চার সেটের লড়াইয়ে জকোভিচ জিতলেন ৪-৬, ৬-২, ৬-৩, ৬-৪ ব্যবধানে। চলতি বছর বিশ্বের পয়লা নম্বর জোকোভিচের এটি ৩৬তম ম্যাচ জয়। ইউএস ওপেনে বুস্তার বিরুদ্ধে একটিমাত্র ম্যাচেই হারতে হয়েছে ১৭টি মেজরের মালিককে। তবে এদিন কোর্টে কোনও অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু প্রথম সেট জিতে ‘জোকার’কে প্রচ্ছন্ন হুমকি ছুঁড়ে দিয়েছিলেন রাফায়েল নাদালের দেশোয়ালি।

কিন্তু ১৮তম গ্র্যান্ড স্ল্যামের খোঁজে কোর্টে নামা জকোভিচ দারুণভাবে প্রত্যাবর্তন করেন দ্বিতীয় সেটে। যদিও দ্বিতীয় সেটের শুরুতেই তাঁকে ব্রেক পয়েন্ট রক্ষা করতে হয়। এরপর আর রোখা যায়নি সার্বিয়ানকে। ৬-২ দ্বিতীয় সেট জিতে তৃতীয় সেটেও ৩-০ লিড নিয়ে নিয়েছিলেন জোকার। কিন্তু হঠাতই ম্যাচে আবার দারুণভাবে ফিরে এসে তৃতীয় সেটে একসময় ৩-৩ করে ফেলেন বুস্তা। কিন্তু এগিয়ে যেতে পারেননি স্প্যানিয়ার্ড। বরং বুস্তাকে ওখানেই দাঁড় করিয়ে ৬-৩ তৃতীয় সেট জিতে নেন ২০১৬ ফরাসি ওপেন বিজয়ী।

চতুর্থ সেটে বিশ্বের ১৫ নম্বরের সঙ্গে আরও একবার লড়াই ভালোই জমেছিল পয়লা নম্বরের। কিন্তু অভিজ্ঞতায় কয়েক যোজন এগিয়ে থাকা জকোভিচের পক্ষে একটি ব্রেক পয়েন্টই যথেষ্ট ছিল সেট এবং ম্যাচ জিতে নেওয়ার জন্য। শেষ অবধি ৬-৪ তৃতীয় সেট জিতে সেমিফাইনালে জায়গা পাকা করে নেন সার্বিয়ান তারকা। ৩ ঘন্টা ১০ মিনিটের লড়াইয়ে বুস্তাকে পরাস্ত করেন জোকোভিচ।

সেমিফাইনালে গ্রীসের স্তেফানোস সিৎসিপাসের মুখোমুখি হবেন ১৮টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক। বুধবার কোয়ার্টারে অ্যান্ডি রুবলেভকে স্ট্রেট সেটে হারিয়ে যিনি শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত করেছেন। বিশ্বের ১৩ নম্বর রাশিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে ৭-৫, ৬-২, ৬-৩ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেন ২২ বছরের সিৎসিপাস।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.