নিউইয়র্ক: সিনসিনাটি ওপেন জিতেই ইউএস ওপেনের প্রস্তুতি সেরে নিলেন নোভাক জকোভিচ। শনিবার কানাডার মিলাস রাওনিচকে হারিয়ে ইউএস ওপেনের প্রস্তুতি টুর্নামেন্টে শিরোপা জিতলেন ১৭টি মেজরের মালিক। একইসঙ্গে ৩৫তম ১০০০ মাস্টার্স জিতে রাফায়েল নাদালকে ছুঁয়ে ফেললেন সার্বিয়ান। এবার গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের ব্যবধান আরও একটু কমিয়ে আনতে ১ সেপ্টেম্বর আর্থার অ্যাশে নামবেন জোকার। প্রথম রাউন্ডে জকোভিচের প্রতিদ্বন্দ্বী বসনিয়ার দামির জুমহুর।

২০২০ টানা ২৩ ম্যাচে জয় তুলে এদিন সিনসিনাটি ওপেনে খেতাব জিতলেন সার্বিয়ান তারকা। কানাডিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে প্রথম সেট খোয়ালেও দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সেটে টানা জয় তুলে নেন আদ্রিয়া ট্যুর আয়োজন করে মাসদু’য়েক আগে সমালোচনার মুখে পড়া তারকা টেনিস প্লেয়ার। জকোভিচের পক্ষে শনিবার ম্যাচের ফল ১-৬, ৬-৩, ৬-৪। গলার চোটে কাবু জকোভিচকে এদিন রাওনিচের বিরুদ্ধে প্রথম সেটে ভালোই নড়বড়ে দেখাচ্ছিল। প্রথম সেটে ৪টি ডাবল ফল্ট করে বসেন বিশ্বের এক নম্বর।

আর জকোভিচের খারাপ সার্ভিসের সুযোগ নিয়ে সহজেই প্রথম সেট ঝুলিতে ভরে নেন কানাডিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বী। মাত্র ৩০ মিনিটে প্রথম সেট ৬-১ ব্যবধানে জিতে নেন রাওনিচ। ম্যাচ শেষে প্রথম সেট নিয়ে বলতে গিয়ে ‘জোকার’ বলেন, ‘রাওনিচ কোর্টে রকেটের মতো সার্ভিস করছিল। যা ফেরানো খুব কঠিন হচ্ছিল আমার পক্ষে। ওই সার্ভিস ফেরাতে গেলে মানসিকভাবে ভীষণ প্রস্তুত থাকতে হয় এবং ফোকাসড থাকা জরুরি।’ যদিও প্রথম সেট খুঁইয়ে দ্বিতীয় সেটে স্বমহিমায় প্রত্যাবর্তন করেন জকোভিচ। তাঁর শক্তিশালী ফোরহ্যান্ডের সামনে বিশেষ সুবিধা করে উঠতে পারেননি কানাডিয়ান।

ইতিপূর্বে বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় রাওনিচের বিরুদ্ধে ১০ বারের মুখোমুখি সাক্ষাতে প্রত্যেকবারই জয়ী হয়েছিলেন সার্বিয়ান। এদিনও তার অন্যথা হল না। ৬-৪ দ্বিতীয় সেট জিতে ম্যাচে সমতা ফেরানোর পর তৃতীয় সেট আরও সহজে পকেটে পুড়ে নেন ১৭টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক। টানা চার গেম জিতে তৃতীয় সেটে ৬-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নেন জকোভিচ। উল্লেখ্য, করোনা আবহে চলতি বছর আসল স্থান অর্থাৎ সিনসিনাটির পরিবর্তে ফ্লাশিং মেডোসে অনুষ্ঠিত হল সিনসিনাটি ওপেন। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে জৈব নিরাপত্তা বেষ্টনীতেই অনুষ্ঠিত হল টুর্নামেন্ট।

উল্লেখ্য, হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে মহিলা সিঙ্গলস ফাইনালে থেকে শনিবার নাম প্রত্যাহার করে নেন নাওমি ওসাকা। ওয়াকওভার পেয়ে মহিলা সিঙ্গলস খেতাব নিজের নামে করে নেন ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.