Novak Djokovic beats Taylor Fritz

মেলবোর্ন: তলপেটের যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে পাঁচ সেটের থ্রিলার জিতলেন নোভাক জকোভিচ। চোটকে হারিয়ে চতুর্থ রাউন্ড নিশ্চিত করে কোর্টেই গর্জে উঠলেন নবমবার রড লেভার এরিনায় খেতাব জয়ের লক্ষ্যে নামা ‘জোকার’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেলর ফ্রিৎজকে হারানোর পর এই জয়কে ‘মোস্ট স্পেশাল’ আখ্যা দিলেন বিশ্বের পয়লা নম্বর। ফ্রিৎজের বিরুদ্ধে এদিন জকোভিচের পক্ষে ম্যাচের ফল ৭-৬(১), ৬-৪, ৩-৬, ৪-৬, ৬-২।

ম্যাচ জয়ের পর সার্বিয়ান তারকা জানান, ‘আমি জানি আমার একটা মাসল টিয়ার হয়েছে। আমি জানিও না আগামী দু’দিনের মধ্যে আমি পুরোপুরি সেরে উঠতে পারব কীনা।’ উল্লেখ্য, এদিন প্রথম সেট থেকেই জোকারকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে থাকেন বিশ্বের ৩১ নম্বর ফ্রিৎজ। প্রথম সেটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর টাইব্রেকারে সার্বিয়ান তারকার কাছে আত্মসমর্পণ করেন বছর তেইশের ফ্রিৎজ। তবে ৬-৪ ব্যবধানে দ্বিতীয় সেটে তুলনামূলক সহজ জয় ছিনিয়ে নেন আটবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ী।

এরপর তৃতীয় সেটে খেলার আমুল পটপরিবর্তন ঘটে। তলপেটের যন্ত্রণায় মেডিক্যাল টাইমআউট নিতে হয় জকোভিচকে। এরপর কোর্টে ফিরেও স্বাভাবিক ছন্দে পাওয়া যায়নি ‘জোকার’কে। আর সেই সুযোগেই ম্যাচে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন ফ্রিৎজ। লম্বা র‍্যালিতে খুব একটা স্বাচ্ছ্যন্দ দেখাচ্ছিল না বিশ্বের পয়লা নম্বরকে। আর সেই সুযোগেই তৃতীয় এবং চতুর্থ সেট জিতে ম্যাচ পঞ্চম সেটে নিয়ে যান ফ্রিৎজ। একইসঙ্গে তৃতীয় রাউন্ড থেকেই ‘জোকার বিদায়ে’র একটা শঙ্কা তৈরি হয়। কিন্তু নিজের উপর আস্থা ছিল সার্বিয়ান তারকার।

নির্ণায়ক সেটে ফ্রিৎজকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে সমস্ত আশঙ্কায় জল ঢালেন জোকার। পঞ্চম সেটে জকোভিচের আগ্রাসনের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি মার্কিন তারকা। অন্তিম সেটে ৬-২ ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে র‍্যাপ-আপ করেন ‘জোকার’। যবনিকা নামে ৩ ঘন্টা ২৫ মিনিটের টানটান থ্রিলারের। ম্যাচ শেষে জকোভিচ জানান, ‘চতুর্থ সেটের শেষদিক থেকে কিছুটা সুস্থবোধ করতে থাকি। আমি পুরো সময়টা কোর্টে কাটাতে চেয়েছিলাম। ফিরে আসার ব্যাপারে আশাবাদীও ছিলাম। এটা নিঃসন্দেহে আমার কেরিয়ারের অন্যতম সেরা জয়।’

অন্য আরেকটি ম্যাচে আরও এক থ্রিলারের সাক্ষী রইল রড লেভার এরিনা। প্রথম দু’টি সেট জিতেও গতবারের ফাইনালিস্ট ডমিনিক থিয়েমের কাছে হেরে বসলেন ঘরের ছেলে নিক কিরিয়স। অস্ট্রিয়ান তারকার পক্ষে ম্যাচের ফল ৪-৬, ৪-৬, ৬-৩, ৬-৪, ৬-৪।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.