নয়াদিল্লি: আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল আইএল অ্যান্ড এফএস ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেসের (আইএফআইএন) এর বিরুদ্ধে ৷ এবার তারই জেরে শো-কজ নোটিস পাঠানো হল ওই সংস্থার ১৪ জন প্রাক্তন ডিরেক্টরের কাছে। সম্প্রতি জমা পড়া অডিট রিপোর্টে বলা হয়েছে, একদিকে যেমন জেনেশুনে ঋণ দিয়ে অনিয়ম করা হয়েছে তেমনই হয়েছে বেআইনি লেনদেনও। যার জেরে ভুগতে হয়েছে এই গোষ্ঠীর পাশাপাশি অন্যান্য ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও।

বর্তমানে আইএল অ্যান্ড এফএসের ঘাড়ে প্রায় ৯৪,০০০ কোটি টাকা ঋণের বোঝা রয়েছে। এই শিল্পগোষ্ঠী প্রায় ১৩,০০০ কোটি টাকার নিয়মবহির্ভূত লেনদেন করেছে। আর অডিট সংস্থার অভিমত, সে কথা তৎকালীন পর্ষদের সদস্যরাও সবই জানতেন।

ফেব্রুয়ারিতে এই অডিট রিপোর্ট আসার পরেই প্রাক্তন ডিরেক্টরদের কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়। পাশাপাশি অভিযোগ করা হয়েছে, এরা সব জালিয়াতি করার উদ্দেশ্যেই ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে যোগসাজশ রয়েছে এবং ইন্ধন জুগিয়েছে বেআইনি লেনদেন ও টাকা সরানোয়। সংস্থার ঝুঁকি সংক্রান্ত কমিটির রিপোর্ট অগ্রাহ্য করা হয়েছিল ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে। ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় কোনও কিছু বন্ধক রাখা হয়নি। তাছাড়া অভিযোগ রয়েছে ঋণ মোছারও। এই সব প্রসঙ্গ তুলে নোটিস পাঠান হয়েছে।

এদিকে সূত্রের খবর, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওই ১৪জন ডিকেরক্টর শো-কজ নোটিসের উত্তর দেননি। যার পরে তাঁদের বিরুদ্ধে আরও কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে নোটিস পাঠানোর কথা ভাবছে নতুন পর্ষদ। নেওয়া হতে পারে আইনি ব্যবস্থাও। তবে এ নিয়ে মুখ খোলেনি আইএফআইএন।