নয়াদিল্লি: কুলভূষণ মামলায় বড়সড় সাফল্য পেয়েছে ভারত৷ তবে পাকিস্তান যে আন্তর্জাতিক মঞ্চে কোণঠাসা, তা ইসলামাবাদ কোনও মতেই মানতে নারাজ৷ নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করার মত তাদের দাবি নৈতিক জয় নাকি হয়েছে পাকিস্তানেরই৷

এই পাক বক্তব্যকে নিয়েই কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং৷ বুধবার তিনি বলেন পাকিস্তান আসলে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের কপি পড়ে বুঝতে পারেনি৷ কারণ সেই রায় পুরোটাই ইংরাজিতে লেখা ছিল, বিচারকরা রায়ও দিয়েছেন ইংরাজিতে৷ তাই ঠিক মানেটা বুধতে পারেনি পাক প্রশাসনের আধিকারিকরা৷

স্বাভাবিকভাবেই গিরিরাজের এই ব্যঙ্গ বুঝতে ভুল হয়নি সোশ্যাল মিডিয়ার৷ নেটদুনিয়ার দেওয়াল ভরে উঠেছে রি ট্যুইটে৷ পাকিস্তান সরকারের অফিসিয়াল ট্যুইটের রিট্যুইট করে সেদেশের সরকারকে একহাত নিয়েছেন গিরিরাজ সিং৷ তিনি এদিন কটাক্ষ করে বলেন এটা তোমাদের দোষ নয়, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়টাই ইংরাজিতে ছিল৷

আরও পড়ুন: ১০,০০০ টাকা পেনশন দিচ্ছে মোদী সরকার, কীভাবে পাবেন জানুন

এদিন আদালতের রায় প্রকাশ্যে আসার পর কুলভূষণের রায় সামনে আসার পর প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি বলেন, কুলভূষণ যাদবের রায় পাকিস্তানের বড় সাফল্য এবং নৈতিক জয়।

কুরেশির দাবি, কুলভূষণ নাকি জেরায় স্বীকার করেছেন যে তিনি আসলে গুপ্তচরবৃত্তির জন্যই পাকিস্তানে এসেছিলেন। তিনি আরও বলেন, কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ড পাকিস্তানকে পুনর্বিবেচনা করতে বলেছে অর্থাৎ, পাকিস্তানই ঠিক করবে কী হবে। এতে নাকি আদতে পাকিস্তানের আইনি ব্যবস্থার উপর আস্থা রাখা হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

বুধবার এই গুরুত্বপূর্ণ মামলায় রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক আদালত। আর সেই রায়ে পাকিস্তানকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ এই মুহূর্তে পাকিস্তান কুলভূষণকে ফাঁসি দিতে পারবে না। পাক আদালতের মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। ৪২ পাতার অর্ডারে সেই রায়ের উল্লেখ রয়েছে।

আরও পড়ুন : অপরাধ করেছে কুলভূষণ: আদালতে ধাক্কা খেয়ে সাত সকালে ট্যুইট ইমরানের

পাশাপাশি ভারত যে বারবার কনস্যুলার অ্যাকসেস চেয়েছিল, তা পাকিস্তানের দেওয়া উচিৎ বলেও মন্তব্য করা হয়েছে। কুলভূষণের ক্ষেত্রে পাকিস্তান ভিয়েনা কনভেনশন ভেঙেছে বলে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতের প্রাক্তন নৌসেনা অফিসার কুলভূষণকে বালুচিস্তান থেকে ২০১৬-র ৩ মার্চ গ্রেফতার করে পাক নিরাপত্তা বাহিনী। কুলভূষণের বিরুদ্ধে পাক সামরিক আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ভারত আন্তর্জাতিক ন্যায় বিচার আদালতের দ্বারস্থ হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।