নয়াদিল্লি : মাথার ওপরে ‘বড় দাদা’ চিনের হাত। তাই আপাতত সাহসী পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে পাকিস্তান জানিয়ে দিল ভারতের রাফায়েল আমদানিকে মোটেও ভয় পাচ্ছে না তারা। ভারতের হাতে রাফায়েল আসা তাদের কাছে মোটেও উদ্বেগের নয় বলে এদিন জানিয়ে দিয়েছে পাক সেনা।

পাকিস্তানের সংবাদপত্র দ্য ডন জানাচ্ছে ইন্টার সার্ভিস পাবলিক রিলেশনসের ডিরেক্টর জেনারেল, মেজর জেনারেল বাবর ইফতিকার সাংবাদিক সম্মেলনে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয় ও দেশের নিরাপত্তা-সুরক্ষার বিষয়ে কথা বলেন। এই সম্মেলনেই ভারতের রাফায়েল জেট আমদানির প্রসঙ্গ ওঠে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন কোনওভাবেই এই বিষয় নিয়ে ভীত নয় পাকিস্তান।

এদিন ইফতিকার জানান, যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করার ক্ষমতা পাকিস্তানের রয়েছে। তাই ভারতের হাতে রাফায়েল জেটের আসাকে ভয়ের চোখে দেখছে না পাকিস্তান। পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পাক সেনা সবসময়ই তৈরি। ইফতিকারের দাবি যেভাবে ভারত তড়িঘড়ি পাঁচটি রাফায়েল জেট ফ্রান্স থেকে নিয়ে এল, তাতে তাদেরই নিরাপত্তাহীনতা প্রকাশ পায়। ভারত ৫টি রাফায়েল আনুক বা ৫০০টি রাফায়েল, পাকিস্তানের কিছু যায় আসে না।

পাকিস্তানের নিজেদের ওপর ভরসা রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিরেক্টর জেনারেল বলেন যে কোনও পরিস্থিতির জন্য তৈরি রয়েছে পাকিস্তান। তিনি বলেন পূর্ব লাদাখে যেভাবে সেনা মোতায়েন করেছে ভারত, তাতে বিশ্বে সবথেকে বেশি প্রতিরক্ষা খরচ ভারতকেই করতে হচ্ছে। কিন্তু সেই ভুল পাকিস্তান করবে না। পাকিস্তানের হাতে যা অস্ত্র রয়েছে, তাতে প্রতিরক্ষা খাতে এত খরচের কোনও প্রশ্নই নেই। তাই পাক প্রতিরক্ষা খরচ কমছে, বাড়ছে না।

তবে এখানেই উঠছে প্রশ্ন। যদি রাফায়েলকে ভয়ই না পায়, তবে এত ঘটা করে সাংবাদিক সম্মেলন করার কি প্রয়োজন ছিল। উল্লেখ্য, ভারতে রাফায়েল আসার একদিনের মধ্যেই পাকিস্তান সরকারি বিবৃতি দেয়। জানানো হয়েছিল সীমান্তে অহেতুক অস্ত্রসংখ্যা বৃদ্ধি করে উত্তাপ বাড়াচ্ছে নয়াদিল্লি। দক্ষিণ এশিয়ায় অস্ত্র কেনাবেচার প্রতিযোগিতা এতে আরও বাড়বে বলে অভিযোগ ছিল পাকিস্তানের।

পাকিস্তান বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে আবেদন করে ভারতের বৈষম্যমূলক ভাবে অস্ত্র সংখ্যা বৃদ্ধি করার প্রবণতাকে ঠেকাতে। পাকিস্তানের দাবি ছিল ভারতকে যেন বিভিন্ন দেশ বুঝিয়ে নিরস্ত করে অস্ত্রবৃদ্ধির বিষয়ে। পাক বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র আইশা ফারুকি এই আবেদন করেন।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।