নয়াদিল্লি: কাশ্মীর ইস্যুতে মন্তব্য করে ভারতের সমালোচনার মুখে চিন। “অন্য দেশগুলির কোন অধিকার নেই ভারতের অভ্যন্তরীন ইস্যুতে মন্তব্য করার”, বুধবার চিনের প্রেসিডেন্ট শিং জিনপিংয়ের কাশ্মীরের উপর নজর রাখা এবং পাকিস্তানকে কাশ্মীর ইস্যুতে সমর্থন জানানোর ঘটনাকে ঠিক এইভাবেই কটাক্ষ করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাতের ঠিক দু’দিন আগেই চিনের প্রেসিডেন্ট শিং জিনপিং এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে এই বৈঠক করেন। এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রভিশ কুমার জানান, “আমরা প্রেসিডেন্ট শিং জিনপিং এবং ইমরান খানের বৈঠক সম্পর্কিত রিপোর্টটি দেখেছি যেখানে তাঁদের কাশ্মীর নিয়ে আলোচনার বিষয়টির উল্লেখ আছে। জম্মু ও কাশ্মীর অখন্ড ভারতেরই অংশ, প্রথম থেকেই এ নিয়ে ভারত নিজের দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট করে এসেছে। ভারতের এই অনড় অবস্থান নিয়ে চিন অবগত। অন্য দেশের ভারতের অভ্যন্তরীন বিষয়ে মন্তব্য করার প্রয়োজন নেই।”

চিনের স্থানীয় সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে বেজিংয়ে দেখা করার পর প্রেসিডেন্ট শিং জিনপিং জানিয়েছেন, কাশ্মীরের ভালো এবং খারাপ অবস্থা দুই নিয়েই আগে থেকে অবগত ছিলাম। ভারত-পাকিস্তানের উচিত কথোপকথনের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে দুরত্ব কমিয়ে আনা।

তামিলনাড়ুর মল্লপুরমে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাতের ঠিক দু’দিন আগেই চিন-পাকিস্তান নেতার সাক্ষাতে উঠছে প্রশ্ন। জোরালো হচ্ছে জল্পনা। অক্টোবরের ১১ এবং ১২ তারিখ একটি অধিবেশনে দেখা করবেন তাঁরা। অগস্টের ৫ তারিখের পর থেকেই ভারত-পাক সম্পর্কে চির ধরেছে। কাশ্মীরের স্পেশাল স্ট্যাটাস কেড়ে নেওয়া এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার সিদ্ধান্তের প্রভাব পরেছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে, আন্তর্জাতিক স্তরেও যা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.