প্যারিস: জো বাইডেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরেও সে দেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর আগের মতো সেই ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে ফেরা কঠিন। ইউরোপ-ওয়ান চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফ্রান্সের বিদেশমন্ত্রী জ্যঁ ইভস লা দ্রিয়াঁ এমনটাই বলেছেন।

তার বক্তব্য, গত চার বছরে বিশ্বে অনেক কিছু বদলে গিয়েছে। তাদের আর আমেরিকার সঙ্গে ট্রান্স-আটলান্টিক সেই ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে ফিরবে না। ফরাসি মন্ত্রী জানান , ইউরোপ এখন নিজেই তার শক্তিতে বলিয়ান। ইউরোপ নিজেকে এখন একটি শক্তি বলে মনে করে।

তবে বিশ্লেষকদের অভিমত, জো বাইডেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় এটি ইউরোপের জন্য বিরাট বড় ধরনের মুক্তি কারণ তারা গত চার বছর ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে মারাত্মকভাবে টানাপোড়েনের মধ্যে ছিলেন। ট্রাম্পের আমলে আমেরিকার সঙ্গে ইউরোপের সম্পর্ক তলানিতে নেমে এসেছে।

ইউরোপের অনেকেই মনে করেন- যেহেতু বাইডেন আট বছর ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তিনি ইউরোপের সকলের পরিচিত সেক্ষেত্রে আমেরিকার সঙ্গে ইউরোপের সম্পর্ক আবার উন্নত হবে। তারা মনে করছেন, জো বাইডেন শুধু একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি নন বরং তিনি যুক্তিপূর্ণ মানুষও বটে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।