স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মোহরকুঞ্জে জমে উঠেছে বাংলাদেশ বইমেলা। এবার এই বইমেলা ৯ বছরে পা দিয়েছে। শুক্রবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসেছিলেন বাংলাদেশ সরকারের বিদেশমন্ত্রী এ. কে. আব্দুল মোমেন। এই মেলায় প্রকাশিত হয় তাঁর লেখা চারটি বই। দু’দিন পেরোতেই বইমেলায় পাঠকের আনাগোনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

কিন্তু কেমন চলছে বইমেলায় ব্যবসা-বাণিজ্য? কী বলছেন ঢাকার প্রকাশকরা? মোহরকুঞ্জে কান পাতলেই উঠে আসছে নানা গল্প। ‘ভাষাচিত্র’ প্রকাশনা সংস্থার প্রকাশক খন্দকার সহেল kolkata24x7-কে বলেন, “বাণিজ্য নয়, দুই দেশের সম্প্রীতি রক্ষাই বাংলাদেশ বইমেলার মূল লক্ষ্য। অনেকে বই কেনেন ঠিকই। তবু আমি বলব কলকাতায় বই বিক্রি করতে আসি না। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সৌহার্দ্য বিনিময়ই আমাদের উদ্দেশ্য। কারণ, মেলা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় বই পাঠানোর মাশুল প্রকাশককেই বহন করতে হয়। তাই যতই বই বিক্রি হোক, খরচ ওঠে না। কিন্তু এখানে বই বিক্রি উদ্দেশ্যে নয়। দুই দেশের সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানই মুখ্য।”

অন্যদিনে, বাতিঘরের কর্ণধার দীপঙ্কর দাস বলেন, “পাঠকের রেসপন্স বেশ ভাল। এই মেলা ৯ বছর ধরে মেলা চলছে। তাই সবার মধ্যে একটা আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সবাই জানে প্রতি বছর এই সময় বাংলাদেশ বইমেলা হয়। অনেকে অপেক্ষা করে থাকে। স্টলে এসে খোঁজখবর নেয় কী কী বই বেরিয়েছে এ বছর। অনেকে সংগ্রহ করার চেষ্টা করে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রতি বছর বই বিক্রি বেড়েই চলেছে। বাজার তৈরি হওয়ার জন্য তো সময় দিতে হবে। আমরা সেই সময়টুকুই দিচ্ছি। মোহরকুঞ্জে বাংলাদেশ বইমেলার জন্য যথেষ্ট জায়গা নেই। আরও বড় স্পেস দরকার। সেটা আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু, সবকিছু একসঙ্গে চাইলেই তো আর হয় না। আশা করছি আগামী দিনে কলকাতায় আরও বড় আকারে বাংলাদেশ বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে।”

বাংলাদেশ থেকে আসা অনেক প্রকাশকের মতে, যেহেতু কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন থাকে, তাই অনেক বই তাঁরা ফেরৎ নিয়ে যান না। সেই বইগুলোই নিয়ে যাওয়া হয় মোহরকুঞ্জে বাংলাদেশ বইমেলায়। মেলা চলবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। সময় প্রতিদিন দুপুর দুটো থেকে রাত আটটা পর্যন্ত। শনিবার ও রবিবার দুপুর দুটো থেকে সাড়ে আটটা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ