শ্রীনগর: গত সোমবার রাজ্যসভায় তারপর মঙ্গলবার সর্বতভাবে জানিয়ে দেওয়া হয় কাশ্মীরের উপর থেকে তুলে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। যার ফলে পুনর্জন্ম লাভ করেছে ভারতের এই রাজ্য। কিন্তু উত্তপ্ত এই পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তির অন্ত নেই রাজ্যবাসীর মনে। তাই রাজ্যবাসীর মন থেকে বিভ্রান্তি সরাতে উদ্যোগী হল জম্মু-কাশীর পুলিশ।

শনিবার সন্ধ্যায় জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশের প্রধান দিলবাগ সিং জানিয়ে দেন, “আজ জম্মু-কাশ্মীরে একটাও হিংসাত্বক ঘটনা ঘটেনি।” তবে সিং জানান, গত শুক্রবার শ্রীনগরে পাথর বর্ষণের মত ঘটনা ঘটেছে। তবে খুব সামান্য পুলিশ মোতায়েন করেই এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া গেছে।

তার সঙ্গেই তিনি জানান, “আন্দোলনের ফল স্বরূপ যে বাধ্যবাধকতাগুলি আনা হয়েছিল সেগুলিও আজ নেই।” রাজ্যের চলতি পরিস্থিতি নিয়ে এক জাতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে বিবৃতি দিতে গিয়ে তিনি জানান, “সমস্ত বিষয়টাই শান্ত। দক্ষিণ কাশ্মীর থেকেও একটা আপত্তিকর ঘটনার খবর আসেনি।”

এছাড়াও সিং জানিয়েছেন, রবিবারও এই নিশ্চিন্ততা বজায় থাকবে জম্মু-কাশ্মীরের মাটিতে। ফলে সেখানকার মানুষ খুশি মনে পালন করতে পারবেন ইদুজ্জোহা। সোমবার সারা জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে পালিত হবে এই পবিত্র উৎসব। “আমরা দৃঢ়ভাবে এই পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। যদি কেউ বলে থাকেন, জম্মু-কাশ্মীরে অশান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তবে তা সম্পূর্ণ মিথ্যে।

জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের টু্্যইট করা এক বিবৃতিতে জানা গিয়েছে, রাজ্য প্রশাসন রাজ্যবাসীর কাছে অনুরোধ জানাচ্ছে, তাঁরা যেন ভুয়ো খবরে উত্তেজিত না হয়ে পড়েন। কেন্দ্র সরকারের সদ্ধান্তে কাশ্মীরের উপর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর-লাদাখ পরিণত হয়েছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। ফলে গত রবিবার রাত থেকে জম্মু-কাশ্মীরের সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। জারি করা হয় কার্ফু। “বিগত ৬ দিনে পুলিশকে একটাও গুলি খরচ করতে হয় নি। পরিস্থিতি শান্ত। মানুষ সহানুভূতিশীল। বাধ্যবাধকতা মুক্ত।”