ছবি- সুভীক কুন্ডু

কলকাতা: প্রস্তুতিতে এসে মেজাজ হারালেন মাতোস৷

শুক্রবার মোহনবাগানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামার আগে যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে বিকেল ৩ টে প্রস্তুতি ছিল ইন্ডিয়ান অ্যারোজের৷ সময়ের কিছুটা আগেই মাঠে এসে যায় মাতোসের দল৷

আরও পড়ুন-  হেরেও প্রোমোশন ভারতীয় কোচ মাতোসের

এরপর বাস থেকে নামলেও দল নিয়ে মাঠে ঢুকতে পারেনি মাতোস৷ ততক্ষণে প্রস্তুতি শেষ করে সবে ড্রেসিংরুমে প্রবেশ করেছে ক্রোমা-ডিকারা(মোহনবাগানের প্রস্তুতি ছিল দুপুর ১.৩০ থেকে) তাই ড্রেসিংরুম হাউসফুল৷ ফলে বাসেই অপেক্ষা করতে থাকেন বিশ্বকাপাররা৷ আর মাঠের ধারে অপেক্ষা করতে থাকেন মাতোস৷

যুবভারতীর কর্মীরা পাশের মাঠের ড্রেসিংরুম খুলে দেওয়ার উদ্যেগ নিলেও কেটে যায় প্রায় কুড়ি মিনিট৷ দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ধৈর্য্য হারিয়ে ফের বাসে উঠে গিয়ে বসেন মাতোস৷

আরও পড়ুন- মাতোসের বিশ্বকাপারদের বিপদজনক মানছেন শংকর

ফের মাঠকর্মীরা পাশের মাঠ খুলে দিলে সেই মাঠের ড্রেসিংরুম ব্যবহার করে জ্যিকস্যানরা৷ পরে অবশ্য মূল প্রস্তুতি মাঠে প্র্যাকটিস করে অমরজিৎরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।