পানাজি: টানা সাত ম্যাচে জয় অধরা। বেঙ্গালুরু এফসি’র পথে হেঁটে আইএসএলের মাঝপথে কোচ ছাঁটাই হল নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের। মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু এফসি’র বিরুদ্ধে ১-১ ড্র’য়ের পরেই হাইল্যান্ডারদের কোচের পদ থেকে বরখাস্ত করা হল ৩৫ বছরের জেরার্ড নাসকে। যাঁকে চলতি মরশুমের শুরুতেই কোচের পদে বসিয়েছিল নর্থ-ইস্ট ম্যানেজমেন্ট। দিনকয়েক আগে কার্লোস কুয়াদ্রাতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে বেঙ্গালুরু এফসি। মঙ্গলবার সেই পথে হাঁটল নর্থ-ইস্টও।

অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে দলের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন খালিদ জামিল। যিনি ইতিমধ্যেই গোয়ায় কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। এদিন ব্লুজ’দের বিরুদ্ধে ড্র করার পরেই এক বিবৃতিতে নাসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানায় নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ। বিবৃতিতে তারা লেখে, ‘জরুরি ভিত্তিতে নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড ফুটবল ক্লাব হেড কোচ জেরার্ড নাসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করছে। ক্লাবের ফুটবল দর্শন এবং লক্ষ্যের সঙ্গে স্প্যানিশ কোচের ট্যাকটিকস খাপ না খাওয়ার কারণেই এই সম্পর্ক ছিন্ন করা হচ্ছে।

ক্লাব মিস্টার জেরার্ড নাসকে তাঁর কঠোর পরিশ্রমের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে চায় একইসঙ্গে তাঁকে ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছা জানায়। অবশিষ্ট মরশুমের জন্য খালিদ জামিলকে অন্তর্বর্তীকালীন হেড কোচ হিসেবে স্থলাভিষিক্ত করা হল।’

উল্লেখ্য, নাসের অধীনে চলতি আইএসএলের শুরুটা তারকাখোচিত মুম্বইকে হারিয়ে মন্দ হয়নি নর্থ-ইস্টের। প্রথম পাঁচ ম্যাচে অপরাজিত হাইল্যান্ডাররা এরপর ইস্টবেঙ্গলকেও পরাজিত করে। কিন্ত এরপরই তাদের পারফরম্যান্সের গ্রাফ কিছুটা পড়তে থাকে। শেষ সাতটি ম্যাচের একটিতেও জয় পায়নি তারা। আর এর ফলেই নাসের চাকরি খোয়া গেল। প্রাথমিকভাবে খালিদ জামিল নাসের সহকারী হিসেবে শুরু করলেও গত ৬ ডিসেম্বর জামিলের পরিবর্তে নর্থ-ইস্টের সহকারী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আলিসন খারসিন্তিউ।

উল্লেখ্য, গত মরশুমেও মাঝপথে হেড কোচ রবার্ট জার্নিকে ছেঁটে ফেলে খালিদকে শেষ তিন ম্যাচের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে নিয়োগ করেছিল নর্থ-ইস্ট। সেই ধারা অব্যাহত রইল। আপাতত ১১ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে সাত নম্বরে হাইল্যান্ডাররা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।