দক্ষিণ কোরিয়াঃ   যে কোনও মুহূর্তে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বেধে যেতে পারে যুদ্ধ।  খোদ এহেন আশঙ্কার কথা জানালেন দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন।  তাঁর মতে, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বাধার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।  উত্তর কোরিয়া দ্রুতগতিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক পরমাণু কর্মসূচি পরিচালনা করছে বলে খবর বের হওয়ার পরেই তিনি এহেন হুমকি দিলেন।

আজ বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ঘুরে দেখেন প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন।  সেই সময় তিনি বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে- নর্দান লিমিট লাইন ও মিলিটারি ডিমার্কেশন লাইনে যুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  তিনি আরও বলেন, “আমরা এমন বাস্তবতার মধ্যে বাস করছি যেখানে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক সংঘাতের বিরাট সম্ভাবনা রয়েছে।”  মুন বলেন, তিনি কখনও উত্তর কোরিয়ার উসকানি ও পরমাণু হুমকি সহ্য করবেন না।  সেই সময় তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীকে কঠোর প্রতিরক্ষা মনোভাব গ্রহণের আহ্বান জানান।

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যখন আমেরিকার প্রচণ্ড সামরিক উত্তেজনা চলছে তখন মুন জে-ইন যুদ্ধের বিষয়ে এমন খোলামেলা কথা বললেন।  তবে তিনি শান্তির জন্য ওয়াশিংটন, বেজিং, টোকিও এমনকি পিয়ংইয়ংয়েও যেতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।