বেজিং: উত্তর কোরিয়ায় একটি পাহাড়ের নীচে অবস্থিত পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা কেন্দ্র আংশিকভাবে ধসে পড়েছে। ফলে তা আপাতত ব্যবহারের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে৷

প্রসঙ্গত, উত্তর কোরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ‘ম্যানট্যাপস্যান’ পাহাড়ের নীচে টানেল খনন করে ‘পুংগিয়ে-রি’ পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষাগার বানানো হয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে ‘পুংগিয়ে-রি’ নামের ওই কেন্দ্রে ছয়টি পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়।

ওই সময় একশ’ কিলোটন ওজনের বিশাল একটি বোমা পরীক্ষা করা হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে বোমাটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের হিরোশিমায় বিস্ফোরিত পারমাণবিক বোমার চেয়ে সাতগুণ বেশি শক্তিশালী।
বিস্ফোরণে সাউথ কোরিয়াসহ আশপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে। সে সময় পুরো এলাকায় ৬.৩ মাত্রার ভূ-কম্পনের সৃষ্টি হয়।

এর একটু পরই ৪.৬ মাত্রার আরেকটি কম্পনের দাবি করে চিনের ভূমিকম্প বিষয়ক মন্ত্রক৷ প্রথম কম্পনকে ‘সম্ভাব্য বিস্ফোরণ’ উল্লেখ করে দ্বিতীয়টিকে বিস্ফোরণ পরবর্তী বড় ‘ধস’ বলে বর্ণনা করে তারা।
ষষ্ঠ পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার কাছাকাছি সময়েই সেই পুঙ্গি-রি পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা কেন্দ্রে মারাত্মক ধসে দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়।

এর ফলে পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষার জের ধরে ভূমকম্পনের ফলে সেখানে আর নতুন কোনো পরীক্ষা চালানো সম্ভব নয় বলে জানা গিয়েছে৷ চিনের ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বা ইউএসটিসি’র পক্ষ থেকে কয়েক মাস অনুসন্ধানের পর উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা কেন্দ্র সম্পর্কে এই তথ্য পেয়েছেন চিনা বিজ্ঞানীরা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ