পিয়ংইয়ং: উত্তর কোরিয়ার শক্তিশালী ষষ্ঠ হাইড্রোজেন বোমা পরীক্ষা করা নিয়ে যখন গোটা বিশ্বে ত্রাহিত্রাহি অবস্থা৷ বরাবরের মত তখনও সকলকে থোড়াই কেয়ার করলেন দেশের প্রেসিডেন্ট কিম জং উন৷ জাঁকজমকের সঙ্গে ষষ্ঠ বোমার উৎক্ষেপণের সাফল্য পালন করলেন তিনি৷

সূত্রের খবর, পিয়ংইয়ংয়ের সরকারি সভাগৃহে উৎসবের আমেজে পালন করা হয়েছে সাফল্য৷ হাজির ছিলেন স্বয়ং কিম ও উত্তর কোরিয় সেনার সমস্ত উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা৷

গত রবিবারে উত্তর কোরিয়া এখনও পর্যন্ত সবথেকে ভয়ঙ্কর এবং শক্তিশালী হাইড্রোজেন বোমা পরীক্ষা করেছে৷ পিয়ংইয়ংয়ের দাবি বিপুল দূরত্বে যেতে পারে এই মিসাইল৷৷ বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, জাপানের হিরোশিমায় যে বোমা আমেরিকা ফেলেছিল এটি তার চেয়ে ৭.৮ গুণ বেশি শক্তিশালী।

এদিকে বিস্ফোরমের পর উত্তর কোরিয়ার ভূখণ্ড থেকে প্রবল কম্পন ছড়িয়ে পড়তেই আশঙ্কিত হয় দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান সহ প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ৷ জাপান সরকারের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে সবথেকে বড় পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল উত্তর কোরিয়া সরকার৷ অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বলছে, উত্তর কোরিয়ার ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ৫.৬ মাত্রার মাঝারি আকারের কম্পন সৃষ্টি হয়েছিল। এই কম্পন ভূম্পিকম্প নাকি অন্য কোনও কারণে সৃষ্ট তা এখনো জানা যায়নি।

চলতি বছরের জুন মাসে প্রথম শক্তিশালী হাইড্রোজেন বোমা পরীক্ষা করেছিল পিয়ংইয়ং৷ এরপরেই তাদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল সমগ্র বিশ্ব৷ কিন্তু তাতে কী! কিম রয়েছে কিমেতেই৷ সূত্রের খবর, এই ঘটনার পরেই দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করে মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও সেনা অফিসাররা৷ এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও কথা হয়েছে দক্ষিণ কোরিয় প্রেসিডেন্টের৷ জানা গিয়েছে, সবরকমের পরিস্থিতিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে দু’পক্ষ৷

কিছুদিন আগেই জাপানের উপর দিয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল উত্তর কোরিয়া৷ যার আসল লক্ষ্য ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেনাঘাঁটি গুয়াম দ্বীপ৷ এরপরেই উত্তর কোরিয়াকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ