ব্যাম্বোলিম: দু’বার আইএসএল ট্রফি জিতলেও প্লে-অফের প্রথম লেগ জয়ের ক্ষেত্রে একটা বদনাম আছে আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের। শনিবার ব্যাম্বোলিমের জিএমসি স্টেডিয়ামে সেই মিথ ভাঙতে গিয়েও গেল না। বরং বলা ভালো ভাঙতে দিলেন না নর্থ-ইস্টের পরিবর্ত ইদ্রিসা সিল্লা। সংযুক্তি সময়ের চতুর্থ মিনিটে নিজেকে দক্ষতার শীর্ষে নিয়ে গিয়ে মাচাদোর সেন্টার থেকে হেডে যে গোলটা তিনি করলেন, তার জন্য কোনও বিশেষণই যথেষ্ট নয়। আর ঘানাইয়ানের দর্শনীয় গোলেই সেমিফাইনালের প্রথম লেগে আটকে গেল এটিকে মোহনবাগান।

কাউন্টার-অ্যাটাক বা প্রতি-আক্রমণ নির্ভর ফুটবলে বিশ্বাসী দু’দলই যে সেভাবে নিজেদের রক্ষণে ভুলচুক করবে না সেকথা জানা ছিল। ম্যাচে হলও তাই। বাগান গোল তুলে নেওয়ার আগে অবধি বল পজেশনে এগিয়ে ছিল হাইল্যান্ডাররা। তবে সেভাবে পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি কোনও গোলরক্ষককেই। ওয়াটার ব্রেকের পর হাবাসের দলের প্রথম গোলটা তাদের প্রথম অন-টার্গেট। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া একটা লম্বা বল ধরে বক্সের বাইরে রয় কৃষ্ণা সেটা সাজিয়ে দেন উইলিয়ামসের জন্য। অজি স্ট্রাইকার সেই বল ধরে প্রথমে এক বিপক্ষ ডিফেন্ডারকে বোকা বানান। এরপর বক্সের মধ্যে তাঁর নেওয়া বাঁ-পায়ের মাটি ঘেঁষা শট নাটমেগে পরাস্ত করে বিপক্ষের আরেক ডিফেন্ডারকে।

উইলিয়ামসের নেওয়ার সেই শটের নাগাল পাননি নর্থ-ইস্ট দুর্গের শেষ প্রহরী শুভাশিস রায়চৌধুরি। গোল হজম করেই আক্রমণে ঝাঁঝ বাড়ায় পাহাড়ি দলটি। ফেডেরিকো গালেগোর ফ্রি-কিকে আশুতোষ মেহতার হেড ক্রসবারে প্রতিহত না হলে প্রথমার্ধেই সমতা ফেরাতে পারত খালিদ জামিলের দল। যাইহোক, প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বাগান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বল ধরে আগুয়ান লুইস মাচাদোর সঙ্গে বক্সের বাইরে বেরিয়ে আসা অরিন্দমের একটা সংঘর্ষ হয়। ঘটনায় কার্ড দেখতে পারতেন দু’জনেই। কিন্তু বেনিফিট অফ ডাউটে ছাড় পেয়ে যান দু’জনেই।

এছাড়া দ্বিতীয়ার্ধ গোলটুকু ছাড়া সেই অর্থে ঘটনাবহুল নয়। সেটপিস থেকে গালেগো সতীর্থদের উদ্দেশ্যে বল রাখছিলেন ভালোই। কিন্তু কাজে আসছিল না সেগুলো। বাগানের তরফ থেকে দু’একটা বিক্ষিপ্ত আক্রমণ ছাড়া ক্লিয়ার-কাট কোনও সুযোগ আসেনি। সবাই যখন ধরে নিয়েছে একমাত্র গোলেই প্রথম লেগ জিতে মাঠ ছাড়বে বাগান, তখনই নাটক।

সংযুক্তি সময়ের চতুর্থ মিনিটে প্রতি-আক্রমণ থেকে সমতাসূচক গোল করে যান সিল্লা। লুইস মাচাদোর ক্রস থেকে ঘানাইয়ানের দুর্দান্ত ড্রপ হেড অরিন্দমের নাগাল এড়িয়ে গোলের ঠিকানা খুঁজে নেয়। ১-১ শেষ হয় ম্যাচ। আগামী ৯ মার্চ দ্বিতীয় লেগের ম্যাচই ফাইনালিস্ট নির্ধারণ করে দেবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।