পানাজি: ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে আইএসএলে প্রথম পর্ব শেষ করেছে ইস্টবেঙ্গল। লিগ টেবিলে ন’য়ে তারা। দ্বিতীয় পর্বে নিজেদের পারফরম্যান্সকে আরও মেলে ধরে টপ-ফোরে থাকার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হচ্ছেন লাল-হলুদ ফুটবলাররা। প্রথম পর্বের শেষে ন’য়ে থাকলেও মিড টেবিলের দলগুলোর সঙ্গে পয়েন্টের খুব বেশি তফাত ছিল না লাল-হলুদের। মঙ্গলবার আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল লিগ টেবিলে ছয় এবং সাত নম্বর দল বেঙ্গালুরু এফসি এবং নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড। এই দুই দলের লড়াই ১-১ ড্র’য়ে সুবিধা হল ইস্টবেঙ্গলের।

১০ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম পর্ব শেষ করেছিল বেঙ্গালুরু। উল্লেখ্য, প্রথম পর্বের শেষ ম্যাচে বেঙ্গালুরু হেরেছিল ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধেই। প্রথম ছ’ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর শেষ চার ম্যাচে হেরে লিগ টেবিলে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল ২০১৮-১৯ চ্যাম্পিয়নরা। অন্যদিকে ১০ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম পর্বের শেষে ইস্টবেঙ্গলের তুলনায় সামান্য এগিয়ে ছিল হাইল্যান্ডাররা। কিন্তু মঙ্গলবার এই দুই দল পয়েন্ট ভাগ করে নেওয়ায় চলতি রাউন্ডের শেষে লিগ টেবিলে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ চলে এল ইস্টবেঙ্গলের কাছে। আগামী ১৫ জানুয়ারি কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ফাওলারের দল জিতলেই নর্থ-ইস্টকে টপকে লিগ টেবিলে বেঙ্গালুরুকে পয়েন্টের নিরিখে ছুঁয়ে ফেলবে লাল-হলুদ ব্রিগেড।

বুধবার ওডিশা-বনাম চেন্নাইয়িন ম্যাচের ফলাফলের দিকেও নজর থাকবে ফাওলারের দলের। ইস্টবেঙ্গলের তুলনায় সেই ম্যাচে এক পয়েন্ট এগিয়ে থাকা চেন্নাইয়িন পয়েন্ট খোয়ালে আরও সুবিধা পেতে পারে লাল-হলুদ। তবে লিগ টেবিলে এই সকল সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এগোতে হলে ১৫ জানুয়ারি কেরালা ব্লাস্টার্সকে হারাতে হবে লাল-হলুদকে। সেক্ষেত্রে লিগ টেবিলে নয় থেকে উঠে সাতে যাওয়ার সুযোগ থাকবে ইস্টবেঙ্গলের কাছে। যা টপ-ফোরের লড়াইয়ে বেশ ভালোভাবে ফিরিয়ে আনবে কলকাতা জায়ান্টদের। তবে এরপরেও ন’টি ম্যাচ বাকি থাকবে। পাশা ওলটাতে পারে অনেক ক্ষেত্রেই।

মঙ্গলবারের ম্যাচের প্রথমার্ধে ২৭ মিনিটে লুইস মাচাদোর গোলে এগিয়ে যায় নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হাইল্যান্ডার গোলরক্ষক গুরমিত সিং’য়ের দোষে গোল ম্যাচে সমতা ফেরায় ব্লুজ’রা। গোল করেন রাহুল ভেকে। এই ড্র’য়ের ফলে ১১ ম্যাচ খেলে ১৩ পয়েন্ট বেঙ্গালুরুর দখলে এবং নর্থ-ইস্টের ঝুলিতে ১১ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।