পানাজি: তাহলে কী গোটা দলটার খোলনলচেটাই বদলে দিলেন খালিদ জামিল। নাকি জেরার্ড নাসের সাজানো বাগানেই ফুল ফোটাচ্ছেন আইলিগ জয়ী কোচ। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এইসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার বিশেষ প্রয়োজনীয়তা নেই। তবে এটা বলে যেতে পারে শেষ দু’টি ম্যাচে জিতে টপ ফোরের লড়াইয়ে উন্মাদনা বাড়িয়ে দিল হাইল্যান্ডাররা।

গত ম্যাচে জামশেদপুরকে হারানোর পর মঙ্গলবার শক্তিশালী এটিকে-মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে কলকাতার ক্লাবের প্লে-অফ প্রতীক্ষা কেবল দীর্ঘায়িত করাই নয়, নর্থ-ইস্ট নিজেও দারুণভাবে চলে এল প্লে-অফের লড়াইয়ে। গোলপার্থক্যে লিগ টেবিলে পঞ্চমস্থানে থাকলেও হায়দরাবাদের সঙ্গে পয়েন্টের নিরিখে এখন সমমেরুতে খালিদ জামিলের দল।

প্রথমার্ধ নিয়ে সেই অর্থে বলার কিছু নেই। তবে দ্বিতীয়ার্ধের লড়াইয়ে দু’বারের আইএসএল জয়ী কোচকে যে ব্যাপকভাবে টেক্কা দিলেন একবারের আইলিগ জয়ী হাবাস, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিন ম্যাচের তিনটি গোলই ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে। প্রথমার্ধে দু’দলই মাত্র একটি করে শট অন-টার্গেট রাখতে সমর্থ হয়। সেই অর্থে কোনও ক্লিয়ার-কাট সুযোগ পায়নি কোনও দলই। তবে সংযুক্তি সময় একটু তৎপর থাকলে উইলিয়ামসের পাস থেকে গোল পেয়ে যেতে পারতেন প্রণয়। চোটের কারণে এডু গার্সিয়ার অভাব অনুভূত হচ্ছিল বাগান শিবিরে।

দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ম্যাচে প্রত্যাবর্তন করে খালিদের নর্থ-ইস্ট। যার জন্য হয়তো প্রস্তুত ছিল না হাবাসের এটিকে-মোহনবাগান। সবুজ-মেরুন আক্রমণে ঝাঁঝ বাড়ালেও প্রতি-আক্রমণে গোল তুলে নেই নর্থ-ইস্ট। ৬০ মিনিটে ফেডেরিকো গালেগোর থেকে বল পেয়ে মার্কার তিরিকে ছিটকে দিয়ে অরিন্দমকে পরাস্ত করেন লুইস মাচাদো। ৬৯ মিনিটে অরিন্দমের দুরন্ত একটি সেভ ব্যবধান বাড়তে দেয়নি। এর দু’মিনিট বাদে গোল শোধ এটিকে-মোহনবাগানের। প্রবীরের পরিবর্ত কোমল থাতালের থেকে বল পেয়ে রয় কৃষ্ণার উদ্দেশ্যে ডিফেন্স চেরা থ্রু বাড়ান কার্ল ম্যাকহিউ। গোলের সামনে বল পেয়ে তা জালে ঠেলতে ভুল করেননি ফিজি স্ট্রাইকার।

সমতায় ফিরে হাবাসের দল জয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপালেও তা হতে দেয়নি নর্থ-ইস্ট। ৭৫ মিনিটে মনবীরের বাঁ-প্রান্তিক দুরন্ত একটি ক্রস নাগালে পেয়েও পায়ে-বলে সংযোগ করতে পারেননি কৃষ্ণা। উলটে ৮১ মিনিটে বক্সের সামান্য বাইরে থেকে দুরন্ত কার্লিং শটে বল জালে জড়িয়ে দেন গালেগো। সেইসঙ্গে তিন পয়েন্টও নিশ্চিত করে হাইল্যান্ডাররা।

জয়ের ফলে ১৩ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে উঠে এল নর্থ-ইস্ট। সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে দু’নম্বরেই রইল সবুজ-মেরুন। গতকাল মুম্বই ড্র করে ব্যবধান কমানোর যে সুযোগটা হাবাসের দলকে দিয়েছিল, তার ফায়দা তুলতে ব্যর্থ হল এটিকে-মোহনবাগান। মুম্বইয়ের সঙ্গে তাদের পয়েন্টের ব্যবধান ছয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।