পানাজি: এটিকে মোহনবাগান এবং মুম্বই সিটি এফসি’র পর তৃতীয় দল হিসেবে আইএসএলের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড। লিগের শেষ ম্যাচে এদিন কেবল ড্র করলেই চলত হাইল্যান্ডারদের। কিন্তু শুক্রবার কেরালা ব্লাস্টার্সকে ২-০ হারিয়েই তৃতীয়স্থান নিশ্চিত করে তারা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগে এটাই তাদের সেরা ফিনিশ। ২০ ম্যাচে ৩৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগ শেষ করল তারা।

একইসঙ্গে প্রথম ভারতীয় ম্যানেজার হিসেবে তিন বা তার বেশি ম্যাচে কোনও দলের দায়িত্ব নিয়ে সেই দলকে সেমিতে তুলে নজির গড়লেন খালিদ জামিল। পাশাপাশি শেষ ১০ ম্যাচে অপরাজিত থেকে লিগ অভিযান শেষ করল হাইল্যান্ডাররা। যার মধ্যে ৯টি ম্যাচে দলের দায়িত্ব সামলেছেন আইলিগ জয়ী কোচ খালিদ জামিল। আর জামিলের প্রশিক্ষণে শেষ ৯ ম্যাচে নর্থ-ইস্টের ঝুলিতে এসেছে মূল্যবান ২১ পয়েন্ট।

সেমিতে জায়গা পাকা করতে এক পয়েন্ট প্রয়োজন হলেও এদিন ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই আক্রমণে ঝাঁপায় খালিদের দল। প্রথমার্ধেই এদিন দু’টি গোল তুলে নেয় তারা। ৩৪ মিনিটে ভিপি সুহেরের গোলে ম্যাচে প্রথমে লিড নেয় নর্থ-ইস্ট। খাসা কামারার থ্রু বল বিপক্ষের এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দুর্দান্তভাবে নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন মোহনবাগানের প্রাক্তনী। এরপর বিপক্ষ গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে রাখেন কেরল স্ট্রাইকার।

এরপর প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময় বক্সের অনেকটা বাইরে থেকে আপুইয়ার দূরপাল্লার শট জালে জড়িয়ে গেলে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে ফেলে নর্থ-ইস্ট। দ্বিতীয়ার্ধে কেরালা তেড়েফুড়ে শুরু করলেও গোলের দেখা মেলেনি। গোলের সুযোগ নষ্ট করেন রাহুল কেপি, গ্যারি হুপাররা। উলটোদিকে মাচাদোর শট দুর্দান্তভাবে প্রতিহত করেন আলবিনো গোমস। দেশর্ন ব্রাউনের প্রচেষ্টা ক্রসবারে প্রতিহত হলে স্কোরবোর্ড অপরিবর্তিত রয়ে যায়। তিন পয়েন্টের সঙ্গে সঙ্গে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে মাঠেই উল্লাসে মাতেন নর্থ-ইস্ট ফুটবলাররা।

আগামীকাল লিগে নিজেদের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে এফসি গোয়া এবং হায়দরাবাদ এফসি। সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে হায়দরাবাদের জয় ছাড়া গতি নেই। অন্যদিকে এক পয়েন্ট পেলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করবে গতবারের লিগ শিল্ড উইনার গোয়া।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।