নয়াদিল্লি:  জ্বলছে দিল্লি। ক্রমশ বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত সংঘর্ষে ১০জনের মৃত্যু হয়েছে। ৭০ জনেরও বেশি মানুষ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধেয় নতুন করে অশান্ত হয়ে ওঠে দিল্লির চাঁদবাগ এলাকা৷ একদিকে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির প্রতিবাদে আন্দোলন ও অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের দমন করতে ময়দানে অন্যপক্ষের দাপাদাপি৷ দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বেঁধে যায়৷ এলাকার একাধিক দোকানে চলে ভাঙচুর, আগুন৷

পরিস্থিতি সামলাতে দিল্লির মৌজপুর, জাফরাবাদ, চাঁদবাগ, কারাওয়াল নগর এবং গাজিয়াবাদে ইতিমধ্যে কার্ফু জারি করেছে প্রশাসন৷ ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি এতটাই আয়ত্তের বাইরে চলে গিয়েছে যে দেখা মাত্রই গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে অবস্থা বেগতিক দেখেই তিনটি সীমানা সিল করা হয়েছে, বন্ধ রাখা হয়েছে গাজিয়াবাদের সবকটি মদের দোকান এবং পাব।

দিল্লি সংখ্যালঘু কমিশন লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বাইজালকে সংঘর্ষদীর্ণ এলাকাগুলিতে কারফিউ জারি করার অনুরোধ করেছে, তাদের আশঙ্কা, হিংসা আরও ছড়াতে পারে। অন্যদিকে সংবাদসংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলাশাসক অজয় শঙ্কর জানাচ্ছে, ইতিমধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা রয়েছে সর্বত্র। ফলে সাধারণ মানুষের চলাফেরা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলাশাসক আরও জানিয়েছেন যে, স্পর্শকাতর সমস্ত জায়গায় অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন রাখা রয়েছে।

সংঘর্ষ যাতে না ছড়িয়ে পড়ে সেজন্যে লালবাগ, ডিএলএফ এমবাংমেন্ট রোড এবং শাহিবাবাদের তুলসি নিকেতন সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অন্য রাজ্যেও যাতে দিল্লির অশান্তি না ছড়িয়ে পড়ে সেজন্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। দিল্লি আশেপাশের রাজ্যের সীমান্তেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কেউ যাতে বাইরে থেকে এসে অশান্তিতে ইন্ধন না দিতে পারে সেজন্যেই বাড়তি সতর্কতা।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও