রায়গঞ্জ: জেলায় বিধানসভা নির্বাচনের দিন পনেরো আগে জোর ধাক্কা তৃণমূলের। উত্তর দিনাজপুরে তৃণমূলে এবার বড়সড় ভাঙন। জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা শাসকদলের পরপর দু’বারের বিধায়ক অমল আচার্য। একুশের নির্বাচনে টিকিট পাননি অমল আচার্য। অভিমানে দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীর উপস্থিতিতে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন অমল আচার্য। বুধবার সন্ধেয় এই দলবদলের কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার-সহ জেলাসত্রের নেতারা।

উত্তর দিনাজপুরে এবার বেজায় অস্বস্তিতে তৃণমূল। জলা তৃণমূলের দাপুটে নেতা অমল আচার্য বিজেপিতে। দলের প্রতি অভিমান থেকেই দলত্যাগের সিদ্ধান্ত এই রাজনাীতিবিদের। ২০১১ ও ২০১৬ সালে ইটাহার থেকে তৃণমূলের টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন অমল আচার্য। জেলা তৃণমূল সভাপতি ছিলেন তিনি। তবে তাল কাটে ২০১৯ সালের লোকসবা নিরবানের পর থেকে। গত লোকসবা নির্বাচনের পর জেলায় তৃণমূলের ফল খারাপ হওয়ার জেরে পদ থেকে সরানো হয় অমল আচার্যকে। তাঁকে জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান করা হয়। এবারের নির্বাচনে ইটাহার থেকে তৃণমূল টিকিট দেয়নি অমল আচার্যকে। তাঁর বদলে প্রার্থী করা হয়েছে মোশারফ হোসেনকে।

তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্তের পরেই ইটাহারের তৃণমূলে নেতৃত্বের একাংশ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। অমল আচার্যকে টিকিট না দেওয়ায় দলের সর্বোচ্চ স্তরের নেতাদের প্রতি বিষোদগার করতে শুরু করেন স্থানীয় তৃণমূল নেতারা। এরই মধ্যে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়তে থাকে অমল আচার্যের। শেষমেশ বুধবার সন্ধেয় গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন তিনি।

বিজেপিতে যোগ দিয়েই পুরনো দল তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন আমল আচার্য। তিনি বলেন, ‘‘কয়লা, গরু পাচার-সহ একাধিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। যোগ্য সম্মান না পেয়েই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ তবে উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি কানহাইয়ালাল আগরওয়াল অবশ্য অমল আচার্যের দলত্যাগের বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ। জেলায় নির্বাচনে অমল আতার্যের দলত্যাগ কোনও প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।