স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : বিগত এক মাস ধরে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। গত সপ্তাহ ভারী বৃষ্টি হয়েছে। রবিবার থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে উত্তরের জেলাগুলিতে। তবে হাওয়া অফিস জানাচ্ছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত চলবে সেখানে। তবে সেই অতি বৃষ্টি এখন হবে না। বাড়বে তাপমাত্রাও।

এক মাসের বেশি সময় ধরে টানা ভারী বৃষ্টিতে জল বেড়েছে উত্তরবঙ্গের তিস্তা, তোর্সা, মহানন্দা, জলঢাকা নদীতে। শনিবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে দোমোহানি থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত তিস্তা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সর্তকতা জারি করা হয়েছে। সেইসঙ্গে জলঢাকা নদীতেও ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে মাথাভাঙা পর্যন্ত অসংরক্ষিত এলাকায় দুপুর সাড়ে ১১টায় হলুদ সর্তকতা জারি হয়।

রাজস্থান থেকে আগরা হয়ে হিমালয়ের পাদদেশ গয়ে মণিপুর পর্যন্ত মৌসুমী অক্ষরেখা সক্রিয় থাকার কারণে প্রচুর জলীয় বাস্প ঢুকছে বঙ্গোপসাগর থেকে। তার জেরে বৃষ্টি ক্রমশ বেড়ে চলেছে। উত্তররের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে প্রবল বর্ষণ হয়েছে। বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে অসম ও বিহার। এদিকে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে এবার মৌসুমি অক্ষরেখাও হিমালয়ের পাদদেশ থেকে দক্ষিণে সম্পূর্ণ সরে আসতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। মৌসুমি অক্ষরেখার জন্য উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি হলেও দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ‘ব’টিও ছিল না। ভ্যাপসা গরম জুন মাসের শেষ থেকে সারা জুলাই ভুগিয়েছে দক্ষিণবঙ্গবাসীকে। সেই পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে নয়া নিম্নচাপ ও মৌসুমি অক্ষরেখা দক্ষিণের দিকে সম্পূর্ণ সরলে।

২ অগস্ট পর্যন্ত বর্ষায় উত্তরবঙ্গে ৪১% অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। যদিও দক্ষিণবঙ্গে ঘাটতি ৭%। সবচেয়ে কম বৃষ্টি হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গল ও বুধবার কলকাতার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে। মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়ায়। বুধবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্টিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলিতে। নিম্নচাপের প্রভাবে বেশি বৃষ্টি হবে ওডিশায়।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও