স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : শেষ পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে আবহাওয়ার উন্নতি হয়েছে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের বৃষ্টি পরিমাপক যন্ত্রের হিসেব। আপাতত সেখানে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও নেই। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমী অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গ থেকে সরে গিয়েছে। ফলে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা এই মুহূর্তে আর নেই উত্তরবঙ্গে।

বৃষ্টির পরিমান কমেছে তা বোঝা যাবে এর পরিমান দেখলেই। গত ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিং-য়ে ২.০, কোচবিহারে ০.১, কালিম্পঙে ১০.০, জলপাইগুড়িতে ৭.৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। একমাত্র শিলিগুড়িতে ৫৭.০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। তবে এটাও কম , কারণ বিগত দিনগুলিতে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হচ্ছিল। তুলনায় যে বৃষ্টি কমেছে এই পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গ থেকে সরে গিয়ে মৌসুমী অক্ষরেখা এখন অমৃতসর, চণ্ডীগর, জামশেদপুর এবং তারপর দিঘা হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। উত্তরবঙ্গে দুর্যোগের দাপট তাই কমেছে। তবে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছেই দার্জিলিং, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে। আজ শুক্রবার পর্যন্ত দু-এক পশলা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে উত্তরবঙ্গের এই জেলাগুলিতে। তবে শনিবার থেকে ফের বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সপ্তাহ শেষে কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার এই দুই জেলায় অতিভারী বৃষ্টির হতে পারে।

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি চলছে গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে। পাহাড়ের বৃষ্টিতে জল বাড়তে শুরু করেছে তোর্সা-তিস্তায়। অসংক্ষিত এলাকায় বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জলের তলায় চলে গিয়েছে বিঘের পর বিঘে জমির ফসল। উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রামীণ মৌসম সেবাকেন্দ্রের প্রিন্সিপাল নোডাল অফিসার শুভেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “এই সময় খুব সাবধান এবং সচেতন থাকতে হবে। ফসল যেমন রক্ষা করতে হবে, তেমনই সুরক্ষিত রাখতে হবে নিজেদেরকেও।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ