স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : সিকিমে ফুঁসছে বিভিন্ন নদী। ভাসার অপেক্ষায় উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চল। এনএইচপিসি’র উদ্বিগ্নতা সেই কথাই জানাচ্ছে। উত্তরবঙ্গের চেয়ে আরও অনেক বেশি বৃষ্টি হচ্ছে সিকিমের পাহাড়ে। এতেই বাড়ছে নদীর জল। বাড়ছে উদ্বিগ্নতা।

বৃষ্টির জেরে রঙ্গিত নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে। প্রবল বৃষ্টির জেরে রঙ্গিত নদীর উপরে তৈরি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাঁধ থেকে জল ছাড়তে বাধ্য হয় এনএইচপিসি। সৌজন্যে সিকিম জুড়ে ১০০ মিলিমিটারের প্রবল বৃষ্টি। প্রকল্পের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গেও।

ক্রমে বাড়ছে উত্তরের বৃষ্টির পরিমান। শনিবার সকাল পর্যন্ত বালুরঘাটে ৪৩.০, কোচবিহারে ১৯.২, দার্জিলিংয়ে ২.৮, জলপাইগুড়িতে ৯৩.০, কালিম্পঙে ৭.০, শিলিগুড়িতে ৬১.৪, মালদহে ২৪.১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কোচবিহারে ১২.৯, দার্জিলিংয়ে ১৮.২, জলপাইগুড়িতে ৫০.৪, কালিম্পঙে ১১.০, শিলিগুড়িতে ৫৬.০, মালদহে ২৫.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এই অঙ্কতেই বৃষ্টি বৃদ্ধির অঙ্ক স্পষ্ট।

টানা বৃষ্টির জেরে জল বাড়ছে তিস্তা এবং ডায়নাতেও। তিস্তার অসংরক্ষিত এলাকায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় সামসিংয়ে বৃষ্টি হয়েছে ২১৩ মিলিমিটার। ঝালংয়ে বৃষ্টি হয়েছে ২৪৫ মিলিমিটার। আর এতেই বাড়ছে বন্যা ও ভূমি ধ্বসের আশঙ্কা।

শুক্রবার দুপুরের পর থেকে ভালোই বৃষ্টি হচ্ছে সমগ্র উত্তরবঙ্গেই। গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দুর্যোগ চলবে রবিবার পর্যন্ত। উত্তরের বিভিন্ন জেলায় জারি হয়েছে সতর্কতা।

পাশাপাশি সিকিম সহ-উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব ভালোই থাকবে বলে জানা গিয়েছে। যেহেতু মৌসুমি অক্ষরেখা সক্রিয়, তাই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প প্রবেশ করছে দক্ষিণবঙ্গে। এর ফলে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলতেই থাকবে।

কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে। ১২ জুলাই অর্থাৎ রবিবার- ভারী থেকে অতিভারী ৭০ থেকে ১৯০ মিলিমিটার বৃষ্টি হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারের বেশ কিছু অংশে। উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টিতে দার্জিলিং,কালিম্পং পার্বত্য ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ