কলকাতা: দৈনিক মৃতের নিরিখে কলকাতাকে ফের ছাপিয়ে গেল উত্তর ২৪ পরগনা৷ যদিও সংক্রমণে ফাস্ট বয় কলকাতা৷ উৎসবের মুখে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে আরও কয়েকটি জেলা৷

লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ৷ শুধু কলকাতায় একদিনে প্রায় ৮০০ আক্রান্ত৷ মারণ প্রতিযোগিতার দৌড়ে পিছিয়ে নেই উত্তর ২৪ পরগনাও৷ এই জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত সাড়ে সাত এর বেশি৷

শুক্রবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দৈনিক মৃতের নিরিখে কলকাতাকে ছাপিয়ে গেল উত্তর ২৪ পরগনা৷ এই জেলায় একদিনেই মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের৷ আর কলকাতায় এই সংখ্যাটা ১৩ জন৷ বাকি জেলায় সংখ্যাটা ১০ এর নিচে৷

এই পর্যন্ত কলকাতায় মোট মৃত্যু হয়েছে ১,৯৫৬ জনের৷ পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতের সংখ্যাটা বেড়ে ১,৩৪২ জন৷ দুই জেলা মিলে মোট মৃতের সংখ্যা ৩,২৯৮ জন৷ বাকি ২১ জেলায় ২,৬৩৩ জন৷ ফলে বাংলায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৫,৯৩১ জনের৷

গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭৮১ জন৷ আর উত্তর ২৪ পরগনায় ৭৫৮ জন৷ ফলে কলকাতায় মোট আক্রান্ত ৬৮,২৪৭ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনায় আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে ৬৩,১৫০ জন৷

শহরে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটাও বাড়তে বাড়তে এখন ৭,১৮৮ জন৷ পিছিয়ে নেই উত্তর ২৪ পরগনাও৷ এই জেলায় ৬,৮৬৫ জন৷ একদিনে বেড়েছে যথাক্রমে ৮২ ও ৫৭জন৷

তবে কলকাতায় গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৮৬ জন৷ এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৫৯ হাজার ১০৩ জন৷ আর উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে ৬৮৩ জন৷ মোট ৫৪ হাজার ৯৪৩ জন৷

কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা ছাড়া উদ্বেগ বাড়াচ্ছে আরও কয়েকটি জেলার সংক্রমণ৷ এগুলো হল -হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হুগলি ও দুই মেদিনীপুর৷

এদিনের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, মোট আক্রান্ত যথাক্রমে
হাওড়া (২১,৭৬২), হুগলি (১৫,৪১৫), দক্ষিণ ২৪ পরগনায়(২০,৮৬৩ ),পূর্ব মেদিনীপুর ( ১২,৯১৮) ও পশ্চিম মেদিনীপুর ১১,৭৯৮ জন৷ বাকি জেলায় সংক্রমণ ১০ হাজারের নিচে৷

একদিনে যে ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৩ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ১৯ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩ জন৷ হাওড়ার ৫ জন৷ হুগলি ৩ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ৪ জন৷ পূর্ব বর্ধমান ৪ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ১ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ নদিয়া ১ জন৷ মুর্শিদাবাদ ১ জন৷ কালিম্পং ২ জন৷ দার্জিলিং ১ জন৷ কোচবিহার ২ জন৷ আলিপুরদুয়ার ১ জন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।