কলকাতা: করোনা আবহে প্রথম থেকেই মৃত্যু ও সংক্রমণে প্রথম স্থানে কলকাতা এবং উত্তর ২৪ পরগণা দ্বিতীয় স্থানে৷ মোট পরিসংখ্যানে আজও সেই রেকর্ড অব্যাহত৷ কিন্তু এই প্রথম উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি৷

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,গত ২৪ ঘন্টায় উত্তর ২৪ পরগণায় মৃতের সংখ্যা শূন্য৷ তবে এই পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা ২,৪৪৯ জন৷ অন্যদিকে শহর কলকাতায় একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের৷ তারফলে শহরে মোট মৃতের সংখ্যা ৩,০৫৫ জন৷ আর তৃতীয় স্থানে থাকা হাওড়ায় মোট মৃতের সংখ্যা ১,০৩৫ জন৷

পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৫ জন৷ মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ২০ হাজার ৯৬৯ জন৷ আর গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬১ জন৷ এই জেলায় মোট সুস্থ হয়ে উঠার সংখ্যা ১ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৬১ জন৷

তথ্য অনুযায়ী বাংলায় একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৯৩ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৫১৭ জন৷ বুধবার ছিল ৫০৯ জন৷ তারফলে একদিন আগেই রাজ্যে মোট সুস্থ হয়ে উঠার সংখ্যা সাড়ে ৫ লক্ষ ছাড়িয়েছে৷ আজকের পরিসংখ্যান মতে, ৫ লক্ষ ৫০ হাজার ৭৩৭ জন৷ আর সুস্থতার হার বেড়ে ৯৭.০৮ শতাংশ৷

গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪০৬ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৪১৬ জন৷ বুধবার ছিল ৪০৯ জন৷ সব মিলিয়ে বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লক্ষ ৬৭ হাজার ৩০৪ জন৷

একদিনে মৃত্যু হয়েছে মাত্র ৮ জনের৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৯ জন৷ বুধবার এই সংখ্যাটা ছিল ৬ জনে৷ তারফলে বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ৯৭ জন৷ এদের মধ্যে শুধু কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ৩,০৫৫ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণার সংখ্যাটা ২,৪৪৯ জন৷

একদিনে টেস্ট হয়েছে ২৮ হাজার ১৭১ টি৷ বাংলায় মোট করোনা টেস্ট হয়েছে সাড়ে ৭৭ লক্ষের বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী ৭৭ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮৪০ টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৮৬,৪৪৩ জন৷

তবুও চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃত্যুহার৷ ২১ জানুয়ারির তথ্য অনুযায়ী, বাংলায় মৃত্যু হার ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ৷ বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১ হাজার ৩৪১ জন৷ হোম আইসোলেশনে ৫ হাজার ১৯৩ জন৷ আর সেফ হোমে রয়েছেন মাত্র ৩১ জন৷

অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা সাড়ে ৬ হাজারের নিচে নেমে এল৷ তথ্য অনুযায়ী,৬ হাজার ৪৭০ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৫৬৫ জন৷ তুলনামূলক ৯৫ জন কম৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ১০২ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

বি: দ্র: – প্রতিদিন সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন থেকে যে বুলেটিন প্রকাশিত হয়,সেখানে আগের দিন সকাল ৯ টা থেকে বুলেটিন প্রকাশিত হওয়ার দিন সকাল ৯ টা পর্যন্ত তথ্য উল্লেখ করা হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।