স্টাফ রিপোর্টার, বারাসত: কন্টেইনমেন্ট জোনে লকডাউনের কড়াকড়ি শুরু হওয়ার দিন উত্তর ২৪ পরগনার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে বদলি করে দেওয়া হল। তপনকুমার সাহাকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তপনকুমার রায়কে। বিজ্ঞপ্তি জারি করে তাপসবাবুকে স্বাস্থ্যভবনের ADHS পদে নিয়োগ করা হয়েছে।

ওদিকে ADHS তাপসকুমার রায়কে উত্তর ২৪ পরগনার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে করোনা সংক্রমণ। প্রতিদিনই এখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। পরিস্থিতিতে সংক্রমণ রুখতে উত্তর ২৪ পরগনার মোট ৯৫টি জায়গাকে কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে।

সূত্রের খবর, এই পরিস্থিতিতে কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা নিয়ে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের সঙ্গে মতবিরোধ শুরু হয় প্রশাসনের কর্তাদের। তাপসবাবু অনেক বেশি জায়গা কনটেনমেন্ট করতে চাইলেও তার অনুমতি দেননি প্রশাসনিক কর্তারা। এর পরই তাঁকে অপসারণের নির্দেশ জারি হয় নবান্ন থেকে।

এদিকে, বারাকপুর, বারাসত ও বসিরহাট মহকুমার বিভিন্ন কন্টেইনমেন্ট জোনে কড়া লকডাউন কার্যকর করেছে পুলিশ ও প্রশাসন। করোনা আক্রান্তদের বাড়ি থেকে জায়গা অনুযায়ী ৪০ থেকে ৭০ মিটার পর্যন্ত এলাকা নিয়ে কন্টেইনমেন্ট জোন করা হয়েছে। ওইসব এলাকায় ঢোকা ও বের হওয়ার সবকটি রাস্তা বাঁশ দিয়ে সিল করে পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিস কর্মীদের নিয়ে পৃথক টিম গঠন করা হয়েছে, যারা কন্টেইনমেন্ট জোনের মধ্যে থাকা মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষেবা দেবেন। এছাড়া প্রতিটি জায়গায় হেল্পলাইন নম্বরও চালু করা হয়েছে। জরুরি কোনও প্রয়োজনে ওই এলাকার বাসিন্দাদের বাইরে বের হতে গেলে পুলিশের অনুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে চলার জন্য এলাকায় মাইকিং শুরু করা হয়েছে। কোথাও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বারাকপুর এবং টিটাগড় পুর এলাকার কন্টেইনমেন্ট জোন এবং বাকি এলাকায় সকাল ১০টার পর কোনও দোকান খোলা রাখা যাবে না বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ