যে কোনও আমিষ রান্নাকে হার মানাতে পারে নিরামিষ রান্নার সঠিক প্রস্তুতি ও সঠিক রন্ধন প্রণালি৷ তারজন্য ছোট খাট কিছু টিপস ব্যবহার করলেই কেল্লা ফতে৷ আজ সেরকমই কিছু টিপস রইল আপনাদের জন্য৷
টিপস ১. নিরামিষ রান্নায় হিং ব্যবহার করুন। যারা রান্না শিখতে চান তাদের উদ্দেশ্যে বলি, যে কোনো নিরামিষ রান্নায় যেমন আলু-পটল ডালনা, আলুর-দম, এঁচোর-আলু ডালনা, বা ছোলার ডাল যাই করুন না কেন একটি কমন মশলা কষা গোপনে বলে দিচ্ছি।
সব রান্নাতেই কড়াইতে ঠান্ডা তেলে শুকনো লংকা, গোটা জিরে হিং ফোড়ন দিয়ে গ্যাস অন করুন । এবার তেল একটু গরম হলে মশলার গন্ধ পেলে, কড়াইতে সামান্য জলের ছিটে দিয়ে আদা বাটা, ও অন্যান্য বাটা যেমন চারমগজ, কাজু ইত্যাদি বাটা দিন। এর পর কষতে থাকুন৷ কড়াইতে লেগে গেলে হাত দিয়ে জলের ছিটে দিন। এরপর আপনার রান্নার সবজি বা উপকরণ দিন।
টিপস ২. পনির ভাজার পর গরম জলে ডুবিয়ে রাখবেন ১০ মিনিট, পনির নরম হবে।


টিপস ৩. যে কোনও রান্না বা ভাজায় শেষের দিকে নুন দেবেন৷ এতে সবজির গুণ অক্ষত থাকবে আর ভাজা ভালো হবে। আর রান্নার শেষে চিনি। চিনি কিন্তু রান্নায় মিষ্টি বাড়ায় না৷ স্বাদে ভারসাম্য আনে।
টিপস ৪. নিরামিষ রান্নায় ঝাল কম দেবেন, প্রয়োজনে গোটা কাঁচা লংকা দিন, যারা ঝাল খায় তারা পাতে খাবে।
টিপস ৫. নিরামিষ রান্নায় জলের পরিবর্তে দুধ ব্যবহার করলে স্বাদ আসে। তবে দুধে ১/২ চামচ করেন ফ্লাওয়ার মিশিয়ে নিলে, টমেটো থাকলেও দুধ ফাটার সম্ভাবনা থাকবে না।
টিপস ৬. দুধের পরিবর্ত হিসাবে পরিবর্তে হাল্কা ক্রিম বা টকদই এক চিমটে চিনি ফেটিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
টিপস ৭. জায়ফল, জয়িত্রী, কাসুরি মেথি, শা-জিরে, শা মরিচ , এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ, সব মশলা হালকা চাটুতে টেলে গুঁড়ো করে যে কোনো নিরামিষ রান্নার শেষে ছড়িয়ে দিলে স্বাদ দ্বিগুন হয়। আর তার সাথে ঘি ও হিং+আদার রস। দেখবেন এই তিনটি জিনিসে আপনার রান্না স্বাদ বদলে দিয়েছে।
টিপস ৮. সবসময় ঢেকে কষবেন৷ এতে খাবারের স্বাদ ও খাদ্যগুন বজায় থাকবে।
টিপস ৯. সব সময় রান্নায় গরম জল ব্যবহার করবেন।