নয়াদিল্লি: করোনা মহামারীর কারণে ভেঙে পড়েছে ভারতের অর্থব্যবস্থা। তারফলে বাড়িগুলোর দাম হুহু করে কমেছে। ফলে বাড়িগুলো হট কেকের মত বিক্রি হওয়ায় হোম লোনের চাহিদা খুব বেড়েছিল। এইসময় যদি আপনি হোমলোন নিয়ে থাকেন এবং সময় মতন পরিশোধ না করেন তাহলে আপনি জরিমানার সম্মুখীন হতে পারেন। এমনকি তা আপনার সিভিল স্কোরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সহজ কথায়, সিভিল স্কোর একটি তিন-অঙ্কের নম্বর যা কোনও ব্যক্তির টাকা পরিশোধ করার যোগ্যতাকে উপস্থাপন করে। আপনার টাকা পরিশোধের পরিমান আপনার স্কোরটাকে বাড়াতে সাহায্য করবে। আপনি যদি আপনার হোমলোনের মাসিক কিস্তিগুলি যথাসময়ে পরিশোধ না করেন তবে এটি আপনার সিভিল স্কোরের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন যে আপনি যদি একটি মাসিক কিস্তি মিস করেন তবে আপনার সিভিল স্কোর ৫০ থেকে ৭০ পয়েন্ট কমে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে আপনি আপনার সিভিল স্কোর বাড়াতে পারেন।তার জন্যে প্রথম কিস্তি মিস করার পরের মাসে পরবর্তী ইএমআই সহ আপনার মিস করা মাসিক কিস্তি লেট ফি সমেত জমা দিতে হবে। তারপর সিভিল স্কোর আবার ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।

মাসিক কিস্তি পরিশোধ না করলে যেমন ব্যক্তির টাকা পরিশোধ করার যোগ্যতার উপর প্রভাব ফেলে তেমনি আপনার লেট ফি বা জরিমানা পর্যন্তও দিতে হতে পারে। সাধারণত, ব্যাংকগুলি আপনার মাসিক কিস্তির ১ থেকে ২ শতাংশ পেনাল্টি হিসাবে চার্জ করে।তবে কিছু ক্ষেত্রে, আপনাকে দেরীতে ফি ছাড়াও খেলাপি অঙ্কের পরিমাণের উপর সুদও দিতে হয়।

চাকরীর হারালে কিংবা কোনো জরুরী পরিস্থিতিতে যদি আপনি হোম লোন পরিশোধ করতে সক্ষম না হন তবে লোন প্রদানকারী ব্যাংক বা এনবিএফসিতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যোগাযোগ করা উচিত।সাধারণত, ব্যাংকগুলি আপনার সমস্যার কথা জানার পর পরিশোধের সময়টি ৯০ দিন পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়ে থাকে।

আপনি যদি ৯০ দিনের মধ্যে কোনও মাসিক কিস্তি পরিশোধ না করেন তবে ব্যাংকগুলি গ্রাহকের লোনকে নন পারফর্মিং অ‍্যাসেট হিসাবে চিহ্নিত করতে পারে।তারপরে ব্যাংক সরফেসি আইন ২০০২ অনুযায়ী আপনার বাড়িটি বিডিংয়ে রাখবে।অবশ্য, আপনার মাসিক কিস্তিগুলি হ্রাস করতে আপনি আপনার লোনের সময়কালও বাড়িয়ে দিতে পারেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.