ফাইল ছবি

নয়াদিল্লিঃ ক্ষমতায় এসেই সরকারি ক্ষেত্রে কাজের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কড়া পদক্ষেপ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাতে সাধারণ সরকারি পরিষেবা পান সেক্ষেত্রে আধিকারিক-কর্মীদের জন্যে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছিলেন। শুধু তাই নয়, সরকারি কর্মীরাও যাতে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে অফিসে আসেন সেজন্যেই ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। এবার সে পথেই হাঁটতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সরকারি দফতরে কর্মসংস্কৃতি ফেরাতে কড়া পদক্ষেপের পথে দ্বিতীয় মোদী সরকার।

জানা যাচ্ছে, এবার কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে কেন্দ্রীয় সরকার। বিশেষ করে যে সমস্ত সরকারি কর্মী কিংবা আধিকারিক যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে না তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি ছাঁটাইয়ের মতো কড়া সিদ্ধান্তও সরকার নিতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

গত কয়েকমাস আগে মানুষের বিপুল ভোট পেয়ে সরকারের ক্ষমতায় আসে দ্বিতীয় মোদী সরকার। আর সরকার তৈরির কয়েকদিনের মধ্যে চাকরি থেকে অবসর নিতে বাধ্য করা হয় ২৭ জন উচ্চপদস্থ আধিকারিককে। যাদের মধ্যে ছিলেন আয়কর বিভাগের প্রিন্সিপাল এবং চিফ কমিশনারের মতো আধিকারিকরা। যদিও তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। শুধু তাই নয়, চাকরি থেকে বরখাস্ত করা আধিকারিকদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে তদন্ত করছিল সিবিআই।

তাঁর বাড়িতে তল্লাশি করে পাওয়া গিয়েছিল ২ কোটি ৪৭ লাখ টাকার গয়না, ১৬ লাখ ৪৪ হাজার টাকা নগদ, প্রায় ১০ লাখের দামি ঘড়ি এবং ১ কোটি ৩০ লাখের ব্যাংক ডিপোজিট। এই সমস্ত সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার মতো মারাত্মক অভিযোগও ছিল। এহেন একাধিক এই অভিযোগ পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যাতে কর্মসংস্কৃতি ফেরানো যায় সেজন্যে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে মোদী সরকার।

জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা নির্দেশে ডিপার্টমেন্ট অফ ট্রেনিং অ্যান্ড পার্সোনেলকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে প্রত্যেক সরকারি বিভাগের কর্মীদের মাসিক রিপোর্ট জমা দিতে। প্রসঙ্গত, নির্দেশে ডিপার্টমেন্ট অফ ট্রেনিং অ্যান্ড পার্সোনেল সরাসরি রিপোর্ট করে প্রধানমন্ত্রীর দফতরকে। ফলে এই নির্দেশিকাতে যে এবার সরকারি কর্মী-আধিকারিকদের ঘুম উড়তে চলেছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV