চেন্নাই : উৎপাদন বন্ধ করল নোকিয়া। মঙ্গলবার সূত্র মারফত খবর মেলে তামিলনাড়ুর কারখানায় একই সঙ্গে প্রায় ৪২ জন কর্মী করোনা আক্রান্ত। সংক্রমণ যাতে আর ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য ই উৎপাদন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নোকিয়া। তবে শ্রীপেরামবুদুরের এই কারখানায় ঠিক কতজন কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, তা জানায়নি সংস্থা।

সংস্থার পক্ষ থেকে এক বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, সংক্রমণ রুখতে সব রকমের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। মানা হয়েছিল সামাজিক দূরত্বের নিয়মাবলী। ক্যান্টিন পরিষেবাতেও বদল আনা হয়েছিল। উল্লেখ্য টানা বন্ধ থাকার পর লকডাউনের নিয়মে শিথিলতা আসে। তারপরেই কাজ চালু করেছিল নোকিয়া। তবে করোনা সংক্রমণের জেরে ফের বন্ধ করতে হল উৎপাদন।

নোকিয়া জানিয়েছে কম সংখ্যক কর্মী নিয়ে ফের কাজ চালু করা হবে, তবে কিছুদিন সময় লাগবে। গত সপ্তাহে চিনা মোবাইল কোম্পানি ওপ্পো নিজেদের কাজ বন্ধ রেখেছিল। ওই কোম্পানির কমপক্ষে ৯জন কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর আগে দেশের অন্যতম বৃহত্তম গাড়ি উৎপাদন কোম্পানি হুণ্ডাই এর তরফ থেকে জানানো হয় কোভিড ১৯ ভাইরাসের কারণে বন্ধ রাখা হবে চেন্নাইয়ের কারখানা।

প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। আর তাই এই পরিস্থিতিতে সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যাতে এই সংক্রমণ কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে না পারে। কোম্পানির তরফে এও জানানো হয় আগামী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে।

এছাড়াও অন্যতম জনপ্রিয় কোম্পানি মারুতি সুজুকী হরিয়ানার দুটি কারখানাতে উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। যাতে কোনভাবে এই ভাইরাসে তাদের কর্মীরা আক্রান্ত হতে না পারে পাশাপাশি যাতে দূরত্ব রাখাও সম্ভবপর হয় সেই কারণে কোম্পানির তরফ থেকে এই সাময়িক কাজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, জানা গিয়েছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৬,৫৩৫টি নতুন সংক্রমণ হয়েছে যা একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণের কিছুটা কম। মঙ্গলবার নতুন করে ১৪৬ জনের মৃত্যুতে মোট মৃতের সংখ্যা ৪,১৬৭ জন। মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফের তথ্যে জানা গিয়েছে, ভারতে মোট সংক্রমিত ১,৪৫,৩৮০ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।