মুম্বইঃ  দীর্ঘ কয়েক দশক ধরেই ভারতের মোবাইলের বাজারে অন্যতম বিশ্বস্ত একটি নাম নোকিয়া। নাগাড়ে একের পর এক ফোন ভারতের বাজারে লঞ্চ করে ক্রেতাদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হয়ে উঠেছে এই ব্র্যান্ড। তবে কিছুদিন আগেই নোকিয়ার তরফে লঞ্চ করা হয়েছিল nokia 2.4।

এই ফোন নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে ছিল যথেষ্ট আকর্ষণ। আর লঞ্চ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একাধিক ক্রেতা ব্যবহার করা শুরু করেছেন এই ফোন। মূলত এই ফোনের ডিজাইন অত্যন্ত আকর্ষণীয়। আর তা সব থেকে বেশি আকর্ষণ করেছে সাধারণ ক্রেতাদের, যদিও ভারত ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজারে আনা হয়েছে এই ফোন।

এই ফোনে রয়েছে ৬.৫০ ইঞ্চি ডিসপ্লের সুবিধা। তার সঙ্গে এই ফোনে রয়েছে mediatek helio processor। যা এই ফোন টি যথেষ্ট ফাস্ট করে অন্যান্য ফোনের থেকে। এছাড়া রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা। সঙ্গে রয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা।

এছাড়া রয়েছে ৩ জিবি র‍্যাম সঙ্গে রয়েছে ৬৪ জিবি স্টোরেজ। এছাড়া এই ফোনে মেমরি কার্ড ব্যবহারের সুবিধাও রয়েছে। সঙ্গে রয়েছে ৪৫০০ mah ব্যাটারির সুবিধাও।

এই ফোনে রয়েছে android 10 অপারেটিং সিস্টেমের সুবিধাও। এছাড়া এই ফোনে রয়েছে উন্নত সফটওয়্যারের সুবিধাও। অর্থাৎ ১০ হাজারের মধ্যে এই উন্নত ধরনের সুবিধা যুক্ত ফোন বাজারে নিয়ে আসার ফলে যথেষ্ট সুবিধা হয়েছে সাধারণের।

কারণ একাধিক মানুষজন অল্প দামের মধ্যে উন্নত সুবিধা যুক্ত ফোন ব্যবহার করে থাকেন। আর সেই কারণেই সাধারণের কাছে আরও দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে নোকিয়া ২.৪।

এছাড়া এই ফোনে রয়েছে অন্যান্য সুবিধাও। অর্থাৎ অল্প দামের মধ্যে একসঙ্গে একাধিক সুবিধা এই ফোনের মধ্যে পেয়েছেন ক্রেতারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।