নয়ডাঃ দেশজুড়ে মারণ ভাইরাসের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি। দিনে দিনে রেকর্ড হারে মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। থেমে নেই মৃতের সংখ্যাও। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে সরকার। অনেক রাজ্যই ইতিমধ্যে মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কারফিউ ও লকডাউনের শরণাপন্ন হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের তরফেও কঠোরভাবে করোনা বিধি পালনের দিকে নজর রাখা হচ্ছে।

এই প্রাণঘাতী ভাইরাস রুখতে দেশে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বিপর্যস্ত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। হাসপাতালগুলিতে শয্যার অভাব। মিলছে না পর্যাপ্ত অক্সিজেনও। এমন সংকটজনক পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবার নয়ডার প্রশাসনিক কতৃপক্ষের তরফে জানানো হল, সেখানে করোনা আক্রান্ত হয়ে নিভৃতবাসে থাকা রোগীদের জন্য বাড়িতেই অক্সিজেন সরবরাহ করা হবে। যার জন্য প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যে ১৭০টি অক্সিজেন সিলিন্ডারও প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে তৈরিও করা হয়েছে অক্সিজেন রিফিলিং ব্যাঙ্ক। যারা সরবরাহ করবে মেডিকেল অক্সিজেন।

আর এই প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য, অর্থাৎ ভিড় এড়াতে একটি নির্দিষ্ট সময়ের স্লটও ঠিক করা হয়েছে। যেখানে শারীরিক দূরত্ব বজিয়ে রেখে সন্ধ্যায় খালি অক্সিজেন সিলিন্ডার বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা হবে এবং সকাল থেকেই রিফিল সিলিন্ডার বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন নয়ডা প্রশাসনিক কতৃপক্ষের সিইও রিতু মহেশ্বরী।

সমগ্র প্রক্রিয়ার জন্য অর্থাৎ খালি সিলিন্ডার সংগ্রহ এবং রিফিল সিলিন্ডার বিতরণের জন্য মূল কেন্দ্র হিসেবে নয়ডা সেক্টর ৯৩বি এর কেন্দ্রটিকে নির্বাচিত করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। খালি সিলিন্ডার গুলি বিকাল ৩টে থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সংগ্রহ করে ওই রিফিল সেন্টারে নিয়ে আসা হবে এবং পরের দিন সকাল ৮টা থেকে ১১টার মধ্যে রিফিল সিলিন্ডার গুলি পুনরায় বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসা হবে।

অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারই নয়ডা কতৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ৮ মে থেকে তারা একটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট অস্থায়ী হাসপাতাল চালু করতে চলেছে। যেখানে থাকবে অক্সিজেন সাপোর্টও। সেটি তৈরি হবে নয়ডা সেক্টর ২১ এর এলটি স্টেডিয়ামে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.