দেবযানী সরকার, কলকাতা: বিজেপিতে গিয়ে কোনও লাভ নেই। আরএসএসের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যাঁরা তাঁদেকেই টিকিট দেওয়া হবে। দলে এ বার্তা মুকুল রায়-ই দিয়েছেন। বিজেপিমুখী দলের নেতা-কর্মীদের এই সাবধানবাণী শোনালেন খাদ্যমন্ত্রী ও উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূলের জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

লোকসভা ভোটের আগেই থেকেই তৃণমূলে ভাঙন শুরু হয়েছে। ভোটের ফল বেরোনোর পর সেই ভাঙন ক্রমশ চওড়া হচ্ছে। মাত্র কয়েকদিন আগে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দেন। তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে এইসময় বিজেপিতে চলে যাওয়া তৃণমূলের বহু কাউন্সিলর আবার তৃণমূলে ফিরে এসেছেন।

এ প্রসঙ্গে কলকাতা ২৪x৭-কে জ্যোতিপ্রিয় বলেন, “কাঁচরাপাড়া, হালিশহর, নৈহাটি, বনগাঁ পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলররা দলে ফিরে আসার পর আমি তাঁদের জিজ্ঞাসা করলাম তোরা তো বিজেপির সদস্যপদ নিয়েছিলি। তো আবার ফিরে এলি কেন? তখন ওরা আমায় বললো, মুকুল রায় নাকি ওদের বলেছে যে, বিজেপিতে ওরা প্রোটেকশন পাবে। কোনও মানিটারি স্ক্যাম থাকলে বেঁচে যাবে। কিন্তু এর থেকে বেশি কিছু দেওয়া যাবে না। কারণ আগামী কলকাতা পুরসভা ও বিধানসভা ভোটে আরএসএসের লোকেদেরই টিকিট দেওয়া হবে।”

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এই মন্তব্য শুনে রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র সায়ন্তন বসুর প্রশ্ন, “সৌমিত্র খাঁন কি আরএসএস করতেন? লকেট চট্টোপাধ্যায়, ভারতী ঘোষ, নিশীথ প্রামানিক কি আরএসএসের লোক? লোকসভা ভোটে আমাদের ৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৪জনই তো তৃণমূলের। আসলে দলে লোকজনকে ধরে রাখতে পারছেন না বলে এসব কথা বলছেন।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ