স্টকহোম: এবার অর্থনীতির নোবেল পাচ্ছেন পল মিলগ্রোম এবং রবার্ট উইলসন। এরা দুজনেই নোবেল পাচ্ছেন তাদের নয়া নিলাম তত্ত্বের জন্য।

কোন কিছুর নিলাম হওয়ার সময় কেমনভাবে দর ওঠানামা করে? সেই সময় নিলামে অংশগহণকারীদের আচরণ কেমন থাকে? দরদাতাদের কেমন করে আকৃষ্ট করে ওই পণ্য? এই নিয়ে রয়েছে পল মিলগ্রোম এবং রবার্ট উইলসন দীর্ঘ গবেষণা। এই দুই অর্থনীতিবীদ ক্যালিফোর্নিয়া স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। নিলাম তত্ত্ব ও নিলামের উন্নতি সাধনের জন্য এবং নতুন নিলাম পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য এই দুই অর্থনীতিবীদ এবারের নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন।

সোমবার সুইডিশ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিলাম তথ্য ও কার্যপদ্ধতি শুধু নয় পাশাপাশি নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিপণনের বিকল্প পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন পল মিলগ্রোম এবং রবার্ট উইলসন। এদিন নোবেল প্রাপক হিসেবে তাদের নাম ঘোষণা হলেও আগামী ১০ ডিসেম্বর নরওয়ের রাজধানী অসলোতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে নোবেল সম্মান প্রদান করা হবে। সেদিন মেডেল এবং পুরস্কার অর্থ দুই অর্থনীতিবিদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এই পুরস্কারের নগদ অর্থ ১.১ মিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতিবীদ পল মিলগ্রোম ১৯৮৭ সালে স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবতা ও বিজ্ঞান বিভাগের শিরলি এবং লিওনার্ড এলি অধ্যাপক পদে নিযুক্ত ছিলেন। মিলগ্রোমের সহকারি হলেন রবার্ট উইলসন এবং তিনি আবার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অ্যাডামাস অধ্যাপক।

১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতে নোবেল দেওয়া শুরু হয়েছে। এই নিয়ে এবার ২০২০ সালে এই ক্ষেত্রে ৫১ তম নোবেল দেওয়া হচ্ছে। গত বছর অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছিলেন বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ‌ নোবেল পেয়েছিলেন অপর দুই অর্থনীতিবীদএস্থার ডাফলো এবং মাইকেল ক্রেমারের সঙ্গে। অভিজিতের স্ত্রী হলেন এস্থার ডাফলো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।