ঢাকা: বিএনপি জোটকে ভোট দেওয়ার কারণে গণধর্ষণের শিকার এক মহিলাকে ঘিরে বাংলাদেশের নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক মহল তীব্র উত্তপ্ত৷ অভিযোগ, ওই মহিলাকে ধর্ষণে উস্কানি দিয়েছিল আওয়ামী লীগ নেতা৷ সেই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ অবশেষে গ্রেফতার করল অভিযুক্ত উস্কানিদাতা সহ দুজনকে৷ ঘটনা নোয়াখালির সুবর্ণচর এলাকার৷

ধৃতের নাম রুহুল আমিন৷ বুধবার গভীর রাতে সে পুলিশের জালে পড়েছে৷ তার কাছে তথ্য পেয়ে আরও একজনকে ধরা হয়েছে৷ সেও আওয়ামী লীগের সমর্থক বলেই জানা গিয়েছে৷ তার নাম বেচু৷

আরও পড়ুন : ট্রাম্পের গোপন সফর নিয়ে মুসলিম বিশ্ব তোলপাড়

সুবর্ণচরের বাসিন্দা এক মহিলা ও তাঁর স্বামী সরকার বিরোধী জোটের সমর্থক৷ মহিলার স্বামী জানিয়েছেন, রবিবার ধানের শীষে ভোট দিতে দেখে প্রথমে হুমকি দিয়েছিল কয়েকজন৷ পরে রাত ১২টায় কয়েকজন লোক পুলিশ পরিচয় দিয়ে দরজা খুলতে বলে। অস্ত্র দেখিয়ে স্ত্রীকে ঘরের বাইরে নিয়ে যায় তারা৷ তারপর সবাই মিলে ধর্ষণ করে৷ তাঁর আরও অভিযোগ, গণধর্ষণের পর স্ত্রীকে গলা কেটে খুন করার চেষ্টা কার হয়েছিল৷ পরের দিন প্রতিবেশীদের সাহায্যে স্ত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনি৷ এরপরেই অভিযোগ দায়ের করি৷

এই ঘটনায় আগেই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ মামলার প্রধান আসামি মধ্য বাগ্যা গ্রামের বাসিন্দা সোহেল, মামলার তিন নম্বর আসা চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যা গ্রামের স্বপন (৩৫) ও মামলার ছয় নম্বর আসামি বাদশা আলম ওরফে বাসু।

ধর্ষিতার চিকিৎসা চলছে নোয়াখালি জেনারেল হাসপাতালে৷ তাঁকে দেখতে ল হাসপাতালে যান পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি গোলাম ফারুক৷ তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ তদন্তে দোষী প্রমাণ হলে সেই ব্যক্তি যে দলের বা যত প্রভাবশালীই হোক, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা পুলিশের দায়িত্ব।