ইটানগর: এক নাগাড়ে বৃষ্টি৷ সোমবার বিকেল থেকে অরুণাচল প্রদেশে নিখোঁজ বিমানের এখনও কোনও খোঁজ নেই৷ সেই তল্লাশি অভিযানে বাধ সাধছে বৃষ্টি৷ ঘন কালো মেঘে ঢেকে রয়েছে আকাশ৷ ফলে নিখোঁজ বিমানের সন্ধানে দৃষ্টিপথ হারিয়ে যাচ্ছে বারবারই৷

এখনও পর্যন্ত কোনও খোঁজ নেই বিমান যাত্রীদের৷ বিমানে ৮জন বিমান কর্মী ও ৫ জন যাত্রী ছিলেন৷ শেষবার সোমবার বেলা একটা নাগাদ যোগাযোগ করা গিয়েছিল বিমানটির সঙ্গে৷ তারপরেই সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়৷ ইতিমধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনার পক্ষ থেকে সি-১৩০জে এবং এএন-৩২ এয়ারক্রাফটকে তল্লাশিকাজে লাগানো হয়েছে৷ এছাড়াও কাজ শুরু করেছে দুটি এমআই ১৭ চপার৷ তল্লাশি কাজে হাত লাগিয়েছে ভারতীয় সেনা ও ইন্দো টিবেটান বর্ডার পুলিশ৷

আরও পড়ুন : ইফতার কাণ্ড: মাতাল বাঁদরের সঙ্গে পাকিস্তানের তুলনা শিবসেনার

সোমবার দুপুর ১২টা ২৫মিনিট নাগাদ ভারতীয় বায়ুসেনার এএন-৩২ বিমানটি জোড়হাট থেকে ছাড়ে৷ গন্তব্য ছিল অরুণাচল প্রদেশের মেচুকা৷ বিমানটিতে আটজন ক্রু ও পাঁচ জন যাত্রী ছিলেন৷

সোমবারই কয়েকটি সর্বভারতীয় মিডিয়া জানায়, বায়ুসেনা বিমানটির ধ্বংসাবশেষ অরুণাচল প্রদেশের পায়ুম গ্রামে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে৷ বিমানে থাকা ১৩ যাত্রীর কোনও খবর মেলেনি৷ ফলে উদ্বেগ বেড়েই চলে৷ তবে ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে এই খবর স্বীকার করে নেওয়া হয়নি৷

আরও পড়ুন : বাংলার জন্য আচ্ছে দিন আসছে : কৈলাস বিজয়বর্গীয়

নয় বছর আগে মেচুকা যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এএন-৩২ মডেলের এয়ারক্রাফট৷ ২০১৬ সালেও এএন-৩২র ভেঙে পড়ার রেকর্ড রয়েছে৷ ওই বছর জুলাই মাসে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় এএন-৩২ বিমান৷ চেন্নাইয়ের তামবারাম থেকে রওনা দেয় বিমানটি। বঙ্গোসাগরের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় দুপুর ১২টা নাগাদ বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারপর থেকে আর যোগাযোগ করা যায়নি। ৬ বিমানকর্মী সহ ২৯ জন আরোহী ছিলেন বিমানে। পাঁচ দিন পরও বিমানের কোনও খোঁজ মেলেনি৷