ঢাকা: কোরবানির ঈদ উপলক্ষে বাড়ি ফেরার ছবিটা এই করোনা সংক্রমণও পাল্টাতে পারল না। বিভিন্ন ফেরি ঘাটে ভীষণ ভিড় লক্ষ লক্ষ মানুষের বাড়ি ফিরছেন। শুক্রবার রাত থেকে এই ভিড় বাড়ছে। শনিবারের ছবি আরও উদ্বেগের। বাংলাদেশে আবারও করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির ঝুঁকিতে পড়েছেড়ে। এমনই মনে করছেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

বিবিসি জানাচ্ছে, সংক্রমণের ঝুঁকি উপেক্ষা করেই সড়ক এবং নৌপথে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। মানুষের স্রোত দেখা যাচ্ছে বাস টার্মিনাল, লঞ্চ এবং ফেরিঘাটগুলোতে।

ঢাকার সাথে উত্তরের জেলাগুলোর যোগাযোগের সহাসড়কে টাঙ্গাইল জেলায় কয়েক কিলোলোমিটার জুড়ে যানজটে ভোগান্তিও আগের মতোই। সব লঞ্চে মানুষের উপচে পড়া ভিড়ের খবর পাওয়া যায়।

এদিকে করোনা সংক্রমণে বিশ্বের ক্রম তালিকায় বাংলাদেশ দ্রুত উপরের দিকে উঠে আসছে। ওয়ার্ল্ডোমিটার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসেবে বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ৩৭ হাজারের বেশি। মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার পার করেছে। এদিকে ঈদে বাড়ি ফেরার ভিড় যেন করোনা কে পাত্তা দিতে চায়নি।

কেন এতো বেপরোয়া মানুষের ঢল তা নিয়ে চলছে আলোচনা। বাংলাদেশ যে করোনার ভয়াবহ হামলার মুখে দাঁড়িয়ে সেটা উপেক্ষা করার দৃশ্য স্পষ্ট।

বিবিসি’র রিপোর্টে উঠে এসেছে, বাংলাদেশ জনস্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের আশঙ্কা।তাঁরা জানিয়েছেন, গত ঈদে লকডাউনের মধ্যে সরকারের নানা ধরণের নিষেধাজ্ঞার পরও মানুষের গ্রামে যাওয়া ঠেকানো যায়নি। এবার সরকার মানুষের ওপরই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, গত ঈদে নানা বিধিনিষেধের পরও মানুষের যাতায়াত যে ঠেকানো যায় নি, তার প্রভাব ছিল জুলাই মাস জুড়ে। এই পুরো মাসেই সংক্রমণ উর্ধ্বমুখী ছিল। গত ঈদে মানুষের যাতায়াতের প্রভাবে দেশের গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবুল বাসার খুরশিদ আলম বলেছেন, ঈদের পর সংক্রমণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেটা বোঝার জন্য বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হবে। এছাড়া পরীক্ষার সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ