ডাবলিন পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে এক এক করে এসেছে মানুষ ও নানা প্রাণী। এরপর সারা পৃথিবী জুড়ে কালক্রমে তারা ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু এমন একটিমাত্র জায়গাই আছে যেখানে আপনি অস্তিত্ব খুঁজে পাবেন না একটি বিশেষ প্রজাতির সরীসৃপের। সেটি হলো সাপ। ইংল্যান্ডের পাশেই রয়েছে এই দ্বীপ। অথচ ইংল্যান্ডে সাপ থাকলেও এখানে একটিও সাপ দেখা যায় না। এটি যতটা রহস্যময় ততটাই অদ্ভুত। আয়ারল্যান্ডকে “নো স্নেক ল্যান্ড” বলা হয়ে থাকে। কিন্তু কেন এমনটা হয়েছে সেখানে? রয়েছে কি কোনো অভিশাপের গল্প নাকি প্রকৃতিই এই বিধান দিয়েছে?

বস্তুত, এখানে মনে করা হয় যে সেইন্ট প্যাট্রিক নামক কোনো ধর্মপ্রচারক মন্ত্রের জোরে সেখানে থাকা সব সাপকে সমুদ্রে ফেলে দিয়েছিলেন। তিনি নাকি এভাবেই সাপের হাত থেকে এই দ্বীপকে মুক্ত করে দেন। তবে বিজ্ঞান এই লোকগাঁথা অস্বীকার করেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন এখানে প্যাট্রিকের সময়ের আগে থেকেই কোনোকালে কোনো সাপের অস্তিত্ব ছিলো না। এমনকি কোনো সাপের জীবাশ্মও পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ এ কথা প্রমাণিত যে কোনো অভিশাপের ফলে সাপেরা সেই জায়গা ত্যাগ করেছিল এমনটা নয়। তাহলে ঠিক কোন কারণ দায়ী?

বলা হয় যে স্থলভূমির সঙ্গে আইরিশ সমুদ্রের উপর দিয়ে আয়ারল্যান্ডের দূরত্ব কম করে হলেও নাকি ৭০ কিলোমিটার। কোনো সাপের পক্ষে এতটা দূরত্ব সাঁতার কেটে পৌঁছানো অসম্ভব। এছাড়াও এখানকার যে আবহাওয়া তা ঠান্ডা প্রকৃতির যা সরীসৃপদের বসবাসের জন্যে উপযোগী নয়। সরীসৃপরা সাধারণত উষ্ণ আবহাওয়ায় থেকে সেই উষ্ণতা সগ্রহ করে শরীরকে গরম রেখে বেঁচে থাকে। তাই আনুমানিক ১০ বছর আগে আসা টিকটিকি ছাড়া আর কোনো সরীসৃপকে দেখতে পাওয়া যায় না এখানে। আজ থেকে প্রায় ১০ হাজার বছর আগে বরফ গলতে শুরু করেছিল। আয়ারল্যান্ড-ইংল্যান্ডের স্থলপথে সংযোগের বরফ গলতে থাকলে দুটি দ্বীপ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

আরো পোস্ট- গুহার ভেতর রয়েছে মেঘ এবং কুয়াশা!

তবে এখন আয়ারল্যান্ডে কিছু কিছু সৌখিন মানুষের সংগ্রহে রয়েছে সাপ। এমনকি অনেকে বিদেশ থেকে সাপ এনেও ব্যবসা করেন সেখানে। ২০০৮ সালে এই রাষ্ট্রে যে আর্থিক মন্দা আসে তাতে যদি কেউ কেউ পোষা সাপ জঙ্গলে ছেড়ে দেয় তাহলে দু-একটি সাপের দেখা মিললেও মিলতে পারে বর্তমানে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।