নয়াদিল্লি: কাশী-মহাকাল এক্সপ্রেসে ভগবান শিবের জন্য কোনও বার্থ সংরক্ষণ করা থাকছে না বলে জানাল ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন (আইআরসিটিসি)। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে চালু হতে চলেছে এই ট্রেনটি। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, শিবের নামে আসন সংরক্ষণ নিয়ে দেশজুড়ে যে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল তারপরেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে IRCTC.

১৬ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ রবিবার বারাণসী থেকে এই কাশী মহকাল এক্সপ্রেসের সূচনা করেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইন্দোরের কাছে ওমকারেশ্বর, উজ্জয়নের মহাকালেশ্বর ও বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ- তিনটি মন্দিরকে রেলপথে যুক্ত করেছে মহাকাল এক্সপ্রেস। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রেনে ভক্তিগীতি বাজানো হবে। যাত্রীরা পাবেন নিরামিষ খাবার।

তবে ওই ট্রেনের বি-ফাইভ কামরার ৬৪ নম্বর বার্থ শিবের জন্য সংরক্ষণের কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই তা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। সংবিধানের প্রস্তাবনার ছবি টুইট করে প্রধানমন্ত্রীর দফতরকে ট্যাগ করে টুইট করেন এআইএমআইএম নেতা আসাউদ্দিন ওয়াইসি। পালটা সমালোচনায় বিদ্ধ হন ওয়াইসিও। রেল চত্বরে নামাজ পড়ার ছবি পোস্ট করে টুইটারে ওয়াইসিকে বেঁধেন নেটিজেনরা।

পরিস্থিতি সামলাতে আসরে নামে আইআরসিটিসি। সোমবার ওই সংস্থার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, নতুন প্রোজেক্টের সাফল্যের জন্য আশীর্বাদ পেতেই এই ‘পূজা’ করেন কাশী-মহাকাল এক্সপ্রেসের কর্মীরা। জানানো হয়, শুধুমাত্র উদ্বোধন যাত্রা উপলক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বাণিজ্যিক ভাবে যাত্রা শুরুর পর এরকম কোনও বার্থ সংরক্ষিত থাকবে না।

জানা গিয়েছে, এই ট্রেনে হালকা ভক্তিমূলক সংগীত বাজবে। প্রতিটি কোচে থাকবেন দু’জন বেসরকারী গার্ড। ট্রেন যাত্রীরা শুধুমাত্র নিরামিষ খাবারই পাবেন বলে জানানো হয়েছে। বারাণসী এবং ইন্দোরের মধ্যে সপ্তাহে তিনবার চলবে এই ট্রেন।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।